বিজ্ঞাপন

৭শ কেন্দ্রে ব্যবধান ৩ লাখ, জয়ের ঘোষণার অপেক্ষায় রেজাউল

January 28, 2021 | 1:27 am

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) নির্বাচনে ৭৩৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ৭০০ কেন্দ্রের ফল ঘোষণা করা হয়েছে। ফলগণনার প্রায় শেষ এই পর্যায়ে প্রতিপক্ষের তুলনায় প্রায় তিন লাখ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরী। সেই হিসাবে কেবল রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষণার অপেক্ষায় আটকে আছে রেজাউলের জয়।

বিজ্ঞাপন

৭০০ কেন্দ্রের ঘোষিত ফলে রেজাউল করিম চৌধুরী পেয়েছেন ৩ লাখ ৪৭ হাজার ৭৪২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন পেয়েছেন ৫০ হাজার ৪৩৬ ভোট। সে হিসাবে ২ লাখ ৯৭ হাজার ৩০৬ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন রেজাউল।

বুধবার (২৭ জানুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত টানা ভোটগ্রহণের পর সন্ধ্যা ৬টায় ফলাফল ঘোষণা শুরু হয়। নগরীর এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে স্থাপিত নির্বাচন কমিশনের অস্থায়ী নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে ফলাফল ঘোষণা করছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান।

বিজ্ঞাপন

চট্টগ্রাম নগরীর ৪১ ওয়ার্ডে মোট ৭৩৫টি ভোটকেন্দ্রে মেয়র পদে নির্বাচন হয়েছে। ভোটার সংখ্যা ১৯ লাখ ৩৮ হাজার ৭০৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৯ লাখ ৯২ হাজার ৩৩ জন, নারী ভোটার ৯ লাখ ৪৬ হাজার ৬৭৩ জন। সবগুলো কেন্দ্রেই ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করে ভোট নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচনে মেয়র পদে মোট ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। রেজাউল-শাহাদাত ছাড়া বাকিরা হলেন— আম প্রতীকে ন্যাশনাল পিপলস পার্টির আবুল মনজুর, মোমবাতি প্রতীকে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের এম এ মতিন, স্বতন্ত্র প্রার্থী হাতি প্রতীকে খোকন চৌধুরী, চেয়ার প্রতীকে ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মুহাম্মদ ওয়াহেদ মুরাদ ও হাতপাখা প্রতীকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. জান্নাতুল ইসলাম।

বিজ্ঞাপন

প্রতিদ্বন্দ্বী এসব প্রার্থীর মধ্যে হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী জান্নাতুল ইসলাম ভোটগ্রহণে অনিয়মের অভিযোগ এনে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। নির্বাচন নিয়ে নানা অভিযোগ তুললেও ভোট প্রত্যাখান করেননি বিএনপির মেয়র প্রার্থী।

তবে বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী শাহাদাত হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের নির্বাচন আওয়ামী লীগের সঙ্গে হয়নি, হয়েছে আওয়ামী প্রশাসন, আওয়ামী আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আওয়ামী সন্ত্রাসীদের সঙ্গে। যেটা নির্বাচনই হয়নি, সেটা প্রত্যাখানের কী আছে?’

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/আরডি/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন