বিজ্ঞাপন

৫০ আসনও পাবে না বিজেপি: মমতা

April 5, 2021 | 12:08 am

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেস প্রধান মমতা ব্যানার্জি বলেছেন, ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) এই বিধানসভা নির্বাচনে ৫০ আসনও পাবে না। ইতোমধ্যেই তারা হেরে বসে আছে। সামনে আরও হারার দিন আসছে। বহু বিজেপির প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। অনেকেই এখন বিজেপির দালালি করছেন তাদের মধ্যে কিছু সরকারি কর্মকর্তাও রয়েছেন। নির্বাচন কমিশনও প্রতিদিন পুলিশ অফিসারদের বদলি করছে। কোনো নিয়ম মানছে না। তবুও, বিজেপি নিজেদের বাঁচাতে পারবে না। বিপুল ভোটে হারবে। এখন শুধু অপেক্ষা ২ মে ফলাফল ঘোষণা পর্যন্ত। খবর পিটিআই।

বিজ্ঞাপন

রোববার (৪ এপ্রিল) রাজ্যের হুগলি জেলার খানাকুলে এক নির্বাচনি জনসভায় যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

মমতা ব্যানার্জি বলেন, বিজেপি অলীক স্বপ্ন দেখছে। মানুষ তো বিজেপিকে ভোট দেয়নি। ভোট পেয়েছে এবং পাবে বাংলার দল তৃণমূল।

বিজ্ঞাপন

মমতা বলেন, মোদিরা আসবেন, ভাঁওতা দেবেন, আবার পালিয়েও যাবেন। তারা তো রাজ্যের সবকিছু বিক্রি করে দিচ্ছেন। তাই বাংলায় তাদের ভোট নেই।

এদিকে, রোববার সকালে কলকাতার তৃণমূল ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মোদির সমালোচনা করে বিদায়ী মন্ত্রী শশী পাঁজা, অভিনেত্রী জুন মালিয়া এবং শিক্ষাবিদ অনন্যা চক্রবর্তী বলেন, টোন কেটে মোদির দিদি ও দিদি সম্বোধন করাকে মেনে নিতে পারছেন না তারা। এটি মমতাকে কটাক্ষ বা তাচ্ছিল্য সহকারে সম্বোধন ছাড়া আর কিছু নয়। প্রধানমন্ত্রীর এভাবে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে শ্লেষাত্মক সুরে সম্বোধন করছেন, এটি দুর্ভাগ্যজনক বলে উল্লেখ করেছেন তারা।

বিজ্ঞাপন

এ প্রসঙ্গে বিজেপির নারীনেত্রী অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, মোদিজি তো তুইতোকারি সম্বোধন করেননি মমতাকে। তাকে দিদি বলেই সম্বোধন করেছেন। বরং মুখ্যমন্ত্রীই ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে 'তুই তোকারি' করছেন।

প্রসঙ্গত, ২৭ মার্চ থেকে ২৯৪ আসনে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে দুই দফা ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে। মোট আট দফায় ভোট গ্রহণ শেষে ২রা মে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হবে। টানা দুই মেয়াদে ক্ষমতায় থাকা তৃণমূল চাইছে ফের মমতায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসবে সরকার গঠন করবে। আর কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন বিজেপি চাইছে পশ্চিমবঙ্গে যে কোনো মূল্যে তাদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে। শেষ পর্যন্ত জনমত কাদের পক্ষে যাচ্ছে তা ফলাফল হাতে আসলে নিশ্চিত হওয়া যাবে। তবে ওই দুই দলের বাইরেও সিপিএম-কংগ্রেস-আইএসএফ জোটও নির্বাচনি প্রচারে অনেকটাই এগিয়ে আছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমগুলো।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/একেএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন