বিজ্ঞাপন

জার্মান স্কলারশিপ ফেরানো মেয়েটি আজ দেশের অন্যতম নৃত্যশিল্পী

April 21, 2022 | 9:10 pm

আশীষ সেনগুপ্ত

সময়টা ২০১১ - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের এক মেধাবী ছাত্রীর তখন থিসিস প্রায় শেষের পথে। মেয়েটি সুযোগ পেলো জার্মান সরকারের স্কলারশিপ নিয়ে জার্মানিতে পিএইচডি করার। কিন্তু মেয়েটি সেটা ফিরিয়ে দিল। কারণ তার স্বপ্ন পদার্থবিজ্ঞান নয়, জীবন সাজাবেন নৃত্যকে সঙ্গী করেই। কারণ তার রক্তে এবং মননে যে নৃত্যধারাই বহমান। নাচের প্রতি ভালোবাসার টানে সেদিন জার্মান সরকারের স্কলারশিপ ফিরিয়ে দিয়ে ভারত সরকারের স্কলারশিপ নিয়ে তিনি পাড়ি জমালেন পশ্চিমবঙ্গের রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখান থেকেই ভরতনাট্যমে মাস্টার্স শেষ করে দেশে ফিরলেন ২০১৩ সালের নভেম্বরে। ঠিক তার দু’মাস পরেই ২০১৪’র জানুয়ারীতে গড়ে তুললেন বাংলাদেশের প্রথম রেপার্টরী ড্যান্স থিয়েটার ‘তুরঙ্গমী’। আর অল্পসময়েই একজন নৃত্যশিল্পী হিসেবে ব্যক্তিত্ব ও উদ্ভাবনী নৃত্যশৈলী দিয়ে বাংলাদেশের নৃত্যজগতে আলোচিত হয়ে উঠলেন সেদিনের সেই পদার্থবিজ্ঞানের ছাত্রী- পূজা সেনগুপ্ত। একাধারে নৃত্যশিল্পী, নৃত্য নির্দেশক ও আর্টিস্টিক ডিরেক্টর হিসেবে সমসাময়িকদের মধ্যে অন্যতম হয়ে ওঠা পূজা সেনগুপ্ত তার নৃত্য পরিধিকে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে ছড়িয়ে দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও। প্রতিনিয়তই সমাদৃত হচ্ছেন সব মহলে।

বিজ্ঞাপন

২০১৮ সালে পূজা শুরু করেন তুরঙ্গমী স্কুল অব ড্যান্স’র – যেখানে প্রথাগত নৃত্যশিক্ষার পাশাপাশি নাচের ওপর গবেষণাভিত্তিক প্রশিক্ষণ দিয়ে যাচ্ছেন তিনি। আর এই স্কুলটি ২০১৯’র জুলাই-এ ইন্টারন্যাশনাল ড্যান্স কাউন্সিল ইউনেস্কোর সদস্যপদ লাভ করে, একইসাথে সদস্য পদ লাভ করে পূজা সেনগুপ্ত।

নাচের জগতে পূজার এমন সাফল্য কিন্তু সহজেই আসেনি। নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে পূজার নৃত্যশিল্পী হয়ে ওঠার গল্প আজকের কথোপকথনে...

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এএসজি

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন