বিজ্ঞাপন

ফায়ার সার্ভিস আধুনিকায়ন ও হতাহতদের ক্ষতিপূরণের দাবি

June 7, 2022 | 9:55 pm

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: ফায়ার সার্ভিসের ও সীতাকুণ্ডে বিস্ফোরণে হতাহতদের ক্ষতিপূরণের দাবিতে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ সাধারণ নাগরিক সমাজ নামের একটি সংগঠন।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (৭ জুন) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানবন্ধন করে সংগঠনটি। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন আহমেদ।

মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘১৯৩৯-৪০ সালে ব্রিটিশ সরকার যে দমকল বাহিনীর সৃষ্টি করেছিল তা আজ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদফতর নামে পরিচিত। স্বাধীনতার পর এই প্রতিষ্ঠানকে জননিরাপত্তায় খুব বেশি মানোন্নয়ন করা হয়নি। যদিও গত কয়েক বছর ধরে সরকার দেশের উপজেলা ও শিল্প এলাকাগুলোতে কিছু স্টেশন স্থাপন করাসহ কিছু যন্ত্রপাতি এবং ফায়ারফাইটের বেতন কাঠামোতে সামান্য পরিবর্তন সাধন করেছে।’

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, ‘দেশের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা বৃদ্ধি রাষ্ট্রীয় ও শিল্প বিপ্লবের সাথে সাথে জননিরাপত্তায় ফায়ার সার্ভিসের যে ধরনের প্রযুক্তির ব্যবহার ও আধুনিকায়নের জন্য যা করা প্রয়োজন ছিল তা হয়নি। বিগত কয়েকটি অগ্নিকাণ্ডের ট্রাজেডি এবং উদ্ধার তৎপরতা পর্যালোচনা করলেই প্রতীয়মান হবে। বিশেষ করে রানা প্লাজা, নিমতলী ,চুড়িহাট্টা, তাজরিন ফ্যাশন, নদীর মাঝখানে লঞ্চে অগ্নিকাণ্ড এবং গত শনিবার ঘটে যাওয়া কন্টেইনার ডিপোতে স্মরণকালের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড।’

মানববন্ধনে অংশ নিয়ে বক্তারা বলেন, যেভাবে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, রামপাল, মাতারবাড়ি, কর্ণফুলী টার্মিনাল, মেট্রোরেল, পদ্মা সেতুসহ হাই রাইজি বিল্ডিং হচ্ছে আল্লাহ না করুক যদি বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটে তাহলে দেশের পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে।

বিজ্ঞাপন

মানববন্ধনে সংগঠনটির পক্ষে বেশ কিছু দাবি তুলে ধরা হয়। সেগুলো হলো- সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাল মিলিয়ে ফায়ার সার্ভিসকে আধুনিকায়ন করতে প্রয়োজনে হেলিকপ্টার বিমানসহ সবধরনের যন্ত্রপাতি দিতে হবে। ফায়ার ফাইটাদের উন্নত আধুনিক প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা করতে হবে। ফায়ার ফাইটাদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও ফিটনেস দেখভাল করতে হবে। প্রয়োজনে বেতন-ভাতা বা ঝুঁকি ভাতা বৃদ্ধি করতে হবে। ফায়ার সার্ভিসে নিয়োজিত কর্মী এবং বেসরকারি শ্রমিক-কর্মচারী যারা নিহত হয়েছেন তাদের প্রত্যেককে এক কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। কন্টেইনার ডিপোকে সরকারিভাবে অধিগ্রহণ করে এবং প্রতিষ্ঠানের সকল সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে আহত ও নিহত পরিবারগুলোকে পুনর্বাসন করতে হবে।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন জাতীয় নারী আন্দোলনের সভানেত্রী মিতা রহমান, সংগঠনের কেন্দ্রীয় সদস্য মো. শাজাহান, শেখ ফরিদ, লোটাস জামিল প্রমুখ। মানববন্ধন শেষে হতাহতদের স্মরণে বিশেষ দোয়া করেন বাংলাদেশ ইসলামিক পার্টির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মো. একরামুল হক।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/ইএইচটি/পিটিএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন