বিজ্ঞাপন

‘মুক্ত গণমাধ্যম ও মানবাধিকার সুরক্ষা একে অন্যের পরিপূরক’

April 2, 2024 | 8:50 pm

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, মানবাধিকার বিষয়টি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে গণমাধ্যমের নিত্য চর্চার বিষয়। এ কারণে গণমাধ্যম ও মানবাধিকার কর্মীদের কাজ সমমুখী।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, বৈশ্বিক শান্তি, সহাবস্থান, সহযোগিতা ও সর্বাত্মক কল্যাণের জন্যই যথার্থ মানবাধিকার চর্চা প্রয়োজন। মুক্ত গণমাধ্যম ও মানবাধিকার সুরক্ষা একে অপরের পরিপূরক। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষায় কমিশন নিবিড়ভাবে করে থাকে। এ পর্যন্ত দেশের যে প্রান্তেই সাংবাদিক আক্রান্ত হয়েছে কমিশন সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে৷

মঙ্গলবার (০২ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের আয়োজনে ‘মানবাধিকার সুরক্ষায় গণমাধ্যমকর্মীদের ভূমিকা’ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ‘পরিপ্রেক্ষিত’র নির্বাহী পরিচালক ও সাংবাদিক সৈয়দ বোরহান কবীর। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. কামাল উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে এবং কমিশনের উপ-পরিচালক মো. আজহার হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এবং দৈনিক ভোরের কাগজ পত্রিকার সম্পাদক শ্যামল দত্ত এবং ইউএনডিপি বাংলাদেশের সহকারী আবাসিক প্রতিনিধি আনোয়ারুল হক, মানবাধিকার কমিশনের সার্বক্ষণিক সদস্য মো. সেলিম রেজা, সম্মানিত সদস্য ড. তানিয়া হক ও কংজরী চৌধুরী, সচিব জনাব সেবাষ্টিন রেমা, পরিচালক (অভিযোগ ও তদন্ত) মো. আশরাফুল আলম ও পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) কাজী আরফান আশিক।

ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু নিজেই ছিলেন গণমাধ্যমবান্ধব এক রাজনৈতিক নেতা। গণমাধ্যমের সঙ্গে তার ছিল এক নিবিড় সম্পর্ক।

কমিশনের সার্বক্ষণিক সদস্য জনাব মো. সেলিম রেজা বলেন, আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে সাংবাদিকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। মুক্তিযুদ্ধে শহীদুল্লাহ কায়সার, শহীদ সাবের, সিরাজুদ্দীন আহমেদ, সেলিনা পারভীনসহ অগণিত সাংবাদিক প্রাণ দিয়েছেন। আমরা তাদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি।

বিজ্ঞাপন

সভায় মূল প্রবন্ধে সৈয়দ বোরহান কবীর বলেন, মানবাধিকার সুরক্ষায় সবচেয়ে বড় অস্ত্র হচ্ছে জনগণ। যে দেশে জনগণ মানবাধিকারের প্রশ্নে যতটা সচেতন সেই দেশ মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা ও সুরক্ষায় তত এগিয়ে। বিশ্বের সব মহান ও জনপ্রিয় নেতাই ছিলেন মানবাধিকারের পক্ষে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, আব্রাহাম লিংকন ও নেলসন মেন্ডেলা কিংবা মহাত্মা গান্ধী তার সবচেয়ে বড় উদাহরণ।

ভোরের কাগজ পত্রিকার সম্পাদক শ্যামল দত্ত বলেন, গণমাধ্যম ও জাতীয় মানবাধিকার কমিশন কীভাবে এক হয়ে কাজ করলে গণমানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণে শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে পারে সে বিষয়ে আলোচনা গুরুত্বপূর্ণ। অর্থাৎ আমরা পারস্পরিক সম্পর্ক কীভাবে নির্মাণ করতে পারি সে বিষয়ে আমাদের ভাবতে হবে৷

তিনি আরও বলেন, আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে মাত্র ৯ মাসে ৩০ লক্ষ মানুষকে হত্যা করা হয়েছিলো। আবার ৭৫ এর আগস্টে জাতির পিতাকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল। এ ঘটনাগুলো ইতিহাসে বর্বরোচিত মানবাধিকার লঙ্ঘনের দৃষ্টান্ত।

মতবিনিময় সভায় মানবাধিকারের বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ, সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও আইনি সুরক্ষা, গণমাধ্যমকর্মীদের দায়িত্ব ও কর্তব্য নিয়ে আলোচনা করা হয়৷ পাশাপাশি বক্তারা জনগণের মাঝে অধিকার সচেতনতা বৃদ্ধি, সংবিধান, আইন ও অধিকার সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় জ্ঞানের প্রসারে গণমাধ্যমকে সার্বিক উদ্যোগ গ্রহণের আহবান জানান। উক্ত মতবিনিময় সভায় উম্মুক্ত আলোচনায় সাংবাদিকেরা বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে নিজ নিজ মতামত ও পরামর্শ তুলে ধরেন।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/কেআইএফ/এনইউ

Tags: , , , ,

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
শিক্ষক সংকটে ‘নাকাল’ ঠাকুরগাঁও পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটরোমাঞ্চকর ক্লাসিকো জিতে লিগ শিরোপায় এক হাত রিয়ালেরসহকারী শিক্ষক নিয়োগ: ৩য় গ্রুপের সংশোধিত ফল প্রকাশবাংলাদেশের শ্রম অধিকারের উন্নয়ন চায় যুক্তরাষ্ট্রপরিবেশবান্ধব অবকাঠামো নির্মাণের নির্দেশ গণপূর্তমন্ত্রীরতাপপ্রবাহে বিদ্যুতের চাহিদা ছাড়াতে পারে ১৭০০০ মেগাওয়াটশিল্পকলায় আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী শিল্প উৎসব শুরু শুক্রবারঅর্থ আত্নসাৎ: সোনালী লাইফের পর্ষদ সাসপেন্ড করে প্রশাসক নিয়োগমেলায় ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর তাগিদডেমরায় ২ মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, গার্মেন্টস কর্মকর্তা নিহত সব খবর...
বিজ্ঞাপন