মঙ্গলবার ১২ নভেম্বর, ২০১৯ ইং , ২৮ কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৪ রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব প্রত্যাখান করেছে তুরস্ক

অক্টোবর ১৬, ২০১৯ | ১১:৫৭ পূর্বাহ্ণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে কুর্দি ও সিরিয়ান বাহিনীর সঙ্গে তুরস্কের চলমান সংকটের প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) এই প্রস্তাব প্রত্যাখান করে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান অভিযান চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। খবর বিবিসির।

বিজ্ঞাপন

এর আগে, যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও তুরস্কে গিয়ে এই পরিস্থিতির উন্নয়নে কাজ করার পরিকল্পনা করছিলেন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে রাশিয়া মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) ঘোষণা করেছিল, তুরস্ক ও সিরিয়ান বাহিনীর মধ্যে সংঘাত তারা কিছুতেই মেনে নেবে না।

আরও পড়ুন- তুরস্ক-সিরিয়ার সংকট সমাধানে ভূমিকা রাখবে রাশিয়া

যদিও, তুরস্কের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কুর্দি নেতৃত্বাধীন সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেস (এসডিএফ) একটি সন্ত্রাসী সংগঠন। তাই কুর্দিদের তুরস্ক-সিরিয়ার সীমান্ত এলাকা থেকে সরিয়ে দিতেই তারা এই অভিযান চালাচ্ছে। আনকারার পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, সীমান্তবর্তী ৩০ কিলোমিটার এলাকা থেকে কুর্দিদের হঠিয়ে দিয়ে তারা ওই এলাকায় মুক্তাঞ্চল প্রতিষ্ঠা করতে চায়। মুক্তাঞ্চলের করিডোর ব্যবহার করে যেন তুরস্কে বসবাসরত সিরিয়ান শরণার্থীরা নিজ দেশে ফিরে যেতে পারে।

এদিকে, কুর্দিদের ওপর চালানো তুর্কি আগ্রাসনের জবাব দিতে রাশিয়া সমর্থিত সিরিয়ান বাহিনী দেশটির উত্তর দিকে অগ্রসর হচ্ছে। কুর্দি যোদ্ধা ও সিরিয়ান সরকারের মধ্যকার সাম্প্রতিক সমঝোতার ভিত্তিতে তুরস্কের বিরুদ্ধে লড়াই করতে প্রস্তুত রয়েছে সিরিয়ান সামরিক বাহিনী।

সিরিয়া থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত আসার সঙ্গেসঙ্গেই তুরস্ক সিরিয়ায় এই অভিযান শুরু করে। এখন পর্যন্ত এই লড়াইয়ে উভয় পক্ষের ১৫ সেনা সদস্য মারা গেছেন। কয়েক ডজন বেসামরিক নাগরিকও এই অভিযানে মারা গেছেন। জাতিসংঘ সূত্রে জানা যায়, ১ লাখ ৬০ হাজার অধিবাসী ওই অঞ্চলগুলো থেকে অন্যত্র পালিয়ে গেছেন। সংকটাপন্ন পরিস্থিতিতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থা সিরিয়ায় তাদের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে।

 

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/একেএম

বিজ্ঞাপন
গণতন্ত্রের জীবন্ত পোস্টার নূর হোসেনডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা খুঁজতে বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ৮ ডিসেম্বর জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান করবেন প্রধানমন্ত্রীসৌদি আরবে নারীদের না পাঠানোর দাবি, ঘেরাও কর্মসূচিতে পুলিশের বাধামালয়েশিয়ায় শ্রমবাজার চালুর সিদ্ধান্ত আসতে পারে নভেম্বরের শেষেচট্টগ্রামের সেই আওয়ামী লীগ নেতা ফের কারাগারেম্যাচ ফিক্সিংয়ে জড়িতদের শ্রীলঙ্কায় ১০ বছর কারদণ্ড!‘বাংলাদেশের কর্মক্ষম জনশক্তিই বিনিয়োগের মূল আকর্ষণ’কণ্ঠ: শুধু সিনেমা নয়, একটি হেরে না যাওয়ার গল্পচট্টগ্রাম-সিলেটের সঙ্গে ট্রেন চলাচল শুরু, ৮ ট্রেনের সূচিতে বিঘ্ন সব খবর...
বিজ্ঞাপন