রবিবার ১৮ আগস্ট, ২০১৯ ইং , ৩ ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৬ জিলহজ্জ, ১৪৪০ হিজরী

বিজ্ঞাপন

দ্রৌপদী, সীতা, চিত্রাঙ্গদা ও একজন নাজনীন হাসান চুমকী

মার্চ ২১, ২০১৯ | ৪:৩৩ অপরাহ্ণ

আশীষ সেনগুপ্ত

চুমকী। বাবা-মায়ের প্রিয় চুমকী। পোশাকি নাম নাজনীন হাসান জোয়ার্দার। জন্ম আর বেড়ে ওঠা চুয়াডাঙ্গায়। বাবা দাউদ হোসেন জোয়ার্দার, মা নাজমা বানু। পেশায় দু’জনেই ব্যাংকার আর ভালোবাসা সংস্কৃতি চর্চায়। তাই ছোট্টবেলা থেকেই চুয়াডাঙ্গার সাংস্কৃতিক অঙ্গনে আমার অবাধ বিচরণ। চুয়াডাঙ্গায় অরিন্দম সাংস্কৃতিক সংঘে থিয়েটার চর্চা ১৯৯২ থেকে। স্কুল-কলেজের গণ্ডি পেড়িয়ে ১৯৯৬ সালের শুরুর দিকে ঢাকায় আসা। জগন্নাথ কলেজ (এখন বিশ্ববিদ্যালয়) থেকে মাস্টার্স।

  • ঢাকায় থিয়েটারে…

পড়ালেখার তাগিদে ঢাকায় আসা। কিন্তু থিয়েটারের নেশা তখন তুঙ্গে। তাই ১৯৯৬ –এর শেষের দিকে আমি দেশ নাটকে যোগ দেই। এরপর থেকে দেশ নাটকেই আছি। যদিও মাঝে ২০০৩ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত আমি দেশ নাটক থেকে দূরেই ছিলাম। ২০০৩ -এ নিত্যপুরানের শেষ শো করি। এরপর প্রায় ১৪ বছর ওদের সঙ্গে আমার আর কাজ করা হয়নি। এখন আবার নিয়মিত।

  • তার মানে ১৪ বছর কি মঞ্চ থেকে দূরে ছিলেন?
বিজ্ঞাপন

না না, মঞ্চ থেকে দূরে ছিলাম না। দেশ নাটকের দল থেকে দূরে ছিলাম। এই ১৪ বছর অন্য কাজ করেছি। বিশেষ করে সাধনারই ‘সীতার অগ্নিপরীক্ষা’ নামে যে প্রোডাকশনটা হয়, সেটা দিয়েই আবার মঞ্চে ফিরে আসি। সায়মন জাকারিয়ার লেখা, আমার ডিরেকশন। অবশ্য পুরোটাই আমার ডিরেকশন বলব না, এটা ছিল টিমওয়ার্ক। লুবনা মারিয়াম ছিলেন কোরিওগ্রাফিতে। এই প্রোডাকশনের সদস্য সংখ্যা ছিল ৮, যারা বিভিন্ন নাটকের দল থেকে আসা। এটা ২০১০ সালের দিকে। বলা যায় ২০০৩-এ দেশ নাটক ছাড়ার পর ২০১০-এ আবার মঞ্চে উঠি। এরপর করলাম স্টেজ ওয়ান ঢাকার ‘সুচনা’। বলা যায় এই দু’টোই নিয়মিত করছিলাম। ২০১৭ থেকে তো আবার দেশ নাটকে নিয়মিত।

  • এই দূরে থাকাটা অভিমান, নাকি মনোমালিন্য…

না না, এটা অভিমান বা মনোমালিন্য— কোনোটাই নয়। একজন অভ্যস্ত মানুষ যখন অনভ্যস্ত হয়ে যায়, তখন ফিরে আসাটা কঠিন হয়ে যায়। অনেকটা নিজের ওপর আস্থা হারিয়ে যায়। সেই শক্তি, সেই উদ্যম অনেকটা কমে যায়। ২০০৩ থেকে ২০১০— লম্বা একটা সময়। আর এই সময়টাতে আমি একবারও মঞ্চে উঠিনি। কারণ আমি থিয়েটার চর্চা করে আসছি ১৯৯২ থেকে। আমি মনে করি, আমি যেই হই না কেন, যখন আমি একটা দলে যোগ দেবো, তখন সেখানে আমি সবচেয়ে নবীন সদস্য। আর নবীন সদস্য হয়ে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার জন্য আবার নতুন করে সংগ্রাম শুরু করার শক্তি বা উৎসাহ আমার ছিল না। টিভি মিডিয়াতে আমার যে পরিচিতি সেটাকে মঞ্চের কোনো দলে কাজে লাগিয়ে বাড়তি কোনো সুবিধা কখনও নিতে চাইনি, চাইও না। তাই হয়তো অন্য কোনো দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে চাইনি। আর হবোই বা কেন, আমি তো দেশ নাটক ছেড়ে যাইনি! দেশ নাটকেরই সদস্য আমি। মঞ্চে না উঠলেও সবার সঙ্গে যোগাযোগ ছিল। তাই কোনো দলের হয়ে যখন মঞ্চে উঠলাম, সেটা দেশ নাটকের হয়েই— ২০১৭-তে। ওই বছর মঞ্চে দেশ নাটকের ‘নিত্যপুরাণ’র ৭৫তম মঞ্চায়ন। সেখানে আমরা চার দ্রৌপদী একসঙ্গে অভিনয় করলাম। নিত্যপুরাণের দ্রৌপদী চরিত্রে প্রথম যিনি অভিনয় করতেন— শিরীন খান মনি, তার সঙ্গে বন্যা মির্জা, সুষমা সরকার ও আমি।

  • আবার মঞ্চে ফিরে আসা …

ফিরে আসার কথা যদি বলি, সেটা সাধনার কল্যাণেই। প্রথমেই বলতে হবে লুবনা মারিয়ামের কথা, যিনি আমার শ্রদ্ধাভাজন। আর ‘সাধনা’ আমার অসম্ভব দুর্বলতার জায়গা। আমি কখনোই কৃতজ্ঞতা স্বীকারে ভুল করি না। আমি ২০১০-এ আবার যখন মঞ্চে এলাম, তখন আমাকে পুরো সাপোর্টটা দিয়েছিল ‘সাধনা’। শুধু সাপোর্ট বললে ভুল হবে, বলব প্ল্যাটফর্মটাই দিয়েছিল। লুবনা মারিয়াম যে আমাকে বিশ্বাস করেছিলেন, এটা আমার জন্য অনেক। কারণ তখনও পর্যন্ত উনি মঞ্চে আমার কোনো কাজ দেখেননি। উনি নাচের মানুষ, আমি মঞ্চ আর টিভির। উনি নাচ নিয়ে এতটাই ব্যস্ত থাকেন যে টিভিতে বা মঞ্চেও আমাকে কখনো দেখেননি। মঞ্চে পারফর্ম করা পুরোপুরি একটা চ্যালেঞ্জিং ব্যাপার। নতুন সেট বানানো, প্রচুর টাকা ইনভেস্ট করা— সবকিছু মিলিয়ে উনি আমার ওপর আস্থা রেখেছিলেন বলেই আমি আবার মঞ্চে ফিরে আসতে পেরেছি। এটা না হলে হয়তো আর ফিরে আসা হতো না। আমিও চেষ্টা করেছি সেই আস্থাটাকে ধরে রাখার। মাত্র দেড়মাস সময়ের মধ্যে ‘সীতার অগ্নিপরীক্ষা’ মঞ্চে উপস্থাপন করতে পেরেছিলাম।

  • কৃতজ্ঞতার কথা বলছিলেন…

আমি স্টেজ ওয়ান ঢাকার কাছেও কৃতজ্ঞ। দেশ নাটকের বাইরে আমার দ্বিতীয় কাজ ছিল তাদেরটাই। অভিনেত্রী মিতা চৌধুরী, তিনি আমাকে সুযোগটা দিয়েছিলেন আবুল হায়াত স্যারের রচনা ও রহমতউল্লা স্যারের নির্দেশনায় ‘সূচনা’ নাটকে। ওই নাটকে আমি কাজ করেছি মিতা আপা, ওয়াহিদা মল্লিক জলি ও চিত্রলেখা গুহের সঙ্গে। ওখানে তাদের তুলনায় আমি ছিলাম একেবারে নবীন, তাদের অনুজ। আমাকে তাদের পাশে দাঁড়িয়ে অভিনয় করার যোগ্য মনে করেছেন, এটাই আমার জন্য অনেক বড় পাওয়া।

  • সাধনার চিত্রাঙ্গদা নৃত্যনাট্যে সম্পৃক্ততা…

ওই যে বলেছি, আমার ফিরে আসা সাধনার কল্যাণেই। আর এ কারণেই আমার ‘চিত্রাঙ্গদা’। যদিও লুবনা আপার সঙ্গে ‘সীতার অগ্নিপরীক্ষা’র পর আরও অনেকগুলো ছোট ছোট কাজ করা হয়েছে। উনি আমাকে যখনই ডেকেছেন, আমি তখনই উনাকে সময় দেওয়ার চেষ্টা করেছি। তো সাধনার সুইটি দাশ চৌধুরী যখন ‘চিত্রাঙ্গদা’ করার ইচ্ছা প্রকাশ করলেন, তখন লুবনা আপা আবার আমাকে ডাকলেন। ওই সূত্র ধরেই সুইটির সঙ্গে আমার কাজ করা। আমি তো আসলে নাটকের মানুষ। নাচটা সেভাবে কখনোই করা হয়নি। ছোটবেলায় স্কুলে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যেটুকু করেছি, সেটুকু আমলে নেওয়ার মতো নয়। যখন আমি ‘চিত্রাঙ্গদা’ করতে আসলাম, আমি তাই মুগ্ধ হয়ে ওদের নাচ দেখতাম। ওরা যেন প্রতিটি দৃশ্যকে ছবির মতো এঁকে চলেছে। খুব আক্ষেপ হতো, আমি কেন ওদের মতো এত সুন্দর করে নাচতে পারি না। যদি পারতাম, তাহলে হয়তো আমার অভিনয়টা আরও প্রাণবন্ত হতো। এখান থেকে আমি যেটা শিখেছি, সেটা হচ্ছে ব্যালেন্সিং। প্রত্যেকেই যার যার নিজের জায়গা থেকে ব্যালেন্স করছে। প্রতিটি চরিত্রকে ফুটিয়ে তুলছে। আমি চেষ্টা করছি তাদের সঙ্গে তাল মেলাতে। নাচ, গান, প্রপস, লাইট— সব মিলিয়ে ভীষণ কালারফুল একটা প্রোডাকশন। আমার জন্য দারুণ এক অভিজ্ঞতা। যেটা আমার আগে কখনও হয়নি।

  • আপনার কথা ভেবেই কি কাব্যনাট্য করার সিদ্ধান্ত…

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘চিত্রাঙ্গদা’ প্রথমে কাব্যনাট্য হিসেবেই লিখেছিলেন। পরে সেটাকে উনি নৃত্যনাট্যে রূপ দেন। সাধনা কাব্যনাট্যটাকেই উপস্থাপন করার সিদ্ধান্ত নেয়। নাম দেয়া হয় ‘নহি দেবী, নহি সামান্যা নারী’। প্রথমে এটাকে সবাই বসে পাঠ করার পরিকল্পনাই ছিল। শুধুমাত্র নৃত্যনাট্য যদি হতো, তাহলে হয়তো আমি সম্পৃক্ত হতাম না। আমি ওদের সাথে তাল মেলাতে পারতাম না। কারণ সুইটি, অমিত, অর্থী— এরা একেকজন দক্ষ নৃত্যশিল্পী। তবে লুবনা আপা আমাকে জানালেন, এটা বসে পাঠ করতে হবে। আর এটা করতে গিয়ে আমি জানলাম, অনেক আগে নাকি এটা পাঠ করেছিলেন সারা যাকের, খালেদ খান যুবরাজ, ভাস্বর বন্দোপাধ্যায়সহ তখনকার সময়ের একদম প্রতিষ্ঠিত শিল্পীরা। এটা আমার জন্য অনেক চ্যালেঞ্জিং। তারপরও সাহস করে পাঠের মানসিকতা নিয়ে এই কাজটার সঙ্গে সম্পৃক্ত হলাম। কিন্তু সুইটি সিদ্ধান্ত নিল, আমাকে মঞ্চে উঠতে হবে। বেশ ঘাবড়ে গেলাম। ওদের সঙ্গে তাল মেলানো সহজ নয়। বলা যায়, প্রথম শো’টা আমি অনেক ভয় নিয়েই করেছি। পুরো শো’তেই আমার হাতে স্ক্রিপ্ট ছিল। এবার যে শো’টা আমি করলাম সেটাতে আর স্ক্রিপ্ট হাতে রাখিনি। পুরোটাই মুখস্থ করে নাটকীয়ভাবে বলে গেছি। এটা আরও বেশি ভয়ের ছিল। কারণ সুইটি নাচ-গান-অভিনয় এই তিনটার মিশ্রণে একটু নাটকীয়ভাবেই ‘নহি দেবী, নহি সামান্যা নারী’ প্রোডাকশনটা দাঁড় করিয়েছে। এখানে একটু বেতাল হওয়া মানেই বিপদ। আর এটা যদি আগে জানতাম, আমি জানি না আমি সম্পৃক্ত হতাম কি না।

 

  • কথিত আছে টিভি মিডিয়ার প্রতি আপনার ভীষণ অনীহা…

অনীহা ঠিক না। আমি কাজ পাগল মানুষ। কাজটা দায়িত্ব নিয়ে এবং ভালোবেসেই করতে ভালোবাসি। সে জায়গা থেকে আমি আসলে ঠিক ব্যালেন্স করার চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু আমি দেখলাম যে টিভি মিডিয়া এখনও ব্যালেন্সিং জায়গায় আসেনি। আমি আসলে তথাকথিত স্টার নই, একজন সত্যিকার অভিনেত্রী বা শিল্পী হতে চেয়েছিলাম। যে কাজই করি না কেন, অভিনয়টাকেই প্রাধান্য দিতে চেয়েছিলাম। সেটা একটা দৃশ্যেই হোক বা পুরো নাটকেই। কিন্তু আমার দুর্ভাগ্য, আমি সেটা পাইনি। আর না পাওয়ার কারণেই কিছুটা দূরত্ব, যেটাকে সবাই ভাবে আমার অনীহা। এ কারণেই আমি অনেক পিছিয়ে গেছি বা কাজ অনেক কম করা হয়। আবার এটাও সত্যি যে এখন আমার কাছে যে স্ক্রিপ্টগুলো আছে, সেগুলো পুরোপুরি অভিনয়েরই স্ক্রিপ্ট।

  • সিনেমা প্রসঙ্গে…

আমার প্রথম সিনেমা তানভীর মোকাম্মেলের ‘লালন’। মজার ব্যাপার হচ্ছে, সিনেমা সম্পর্কে কিছু বুঝে ওঠার আগেই সেটার শুটিং করে চলে এসেছি। সেটা ছিল ৩৫ মিলিমিটারে শুট করা। দ্বিতীয় কাজ ছিল ‘ঘানি’। সেটাও ৩৫ মিলিমিটারে শুট করা। আর ওই সিনেমায় মূল চরিত্রগুলোর মধ্যে আমি একজন। তাই সে কাজটা আমি অনেক বুঝে নিয়ে করেছিলাম। এ কারণে ৩৫ মিলিমিটার ক্যামেরার প্রতি আমার এখনও বেশ দুর্বলতা আছে। এই দুইটির পরের ছবিটিও ‘ঘানি’র পরিচালক কাজী মোরশেদের— ‘একই বৃত্তে’। এরপর আরও একটি সিনেমা আমরা শুরু করেছি, সেটার নাম ‘দাহকাল’। মূলত মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রেম-ভালোবাসা বা পারিবারিক সম্পর্কগুলোকে কেন্দ্র করেই এর কাহিনী। ধ্রুব হাসানের পরিচালনায় সিনেমাটার সিংহভাগ কাজই হয়ে গেছে। সামান্য কিছু কাজ এখনও বাকি আছে।

  • নিজের নির্দেশনা…

২০১১ থেকেই নির্দেশনা দিচ্ছি। এখন একটি বিশেষ কাজ করছি। বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ নামে নারী ফুটবল টুর্নামেন্ট হচ্ছে। সেই উপলক্ষে আরটিভি আয়োজন করেছে সাত জন নারী নির্মাতার, নারীদের কেন্দ্র করে নির্মিত সাতটি নাটক। এই সাত নির্মাতার মধ্যে আমিও একজন। শিগগিরিই এটার কাজ শুরু করতে যাচ্ছি।

  • জীবনযাপন…

আমি খুবই সহজ সরল জীবনযাপন করতে ভালোবাসি। কোনো আক্ষেপ বা অভিমান নেই। কাউকেই কোনো বিষয়ে দোষারোপ করতে চাই না। আগে নিজের দোষ আছে কিনা দেখি। চেষ্টা করি ব্যালেন্স করতে। না হলে সরে দাঁড়াই। তাই আমি মনে করি, আক্ষেপ বা অভিমান করে লাভ কী! বরং সেই অভিমান বা আক্ষেপ থেকে শিখতে হবে, কেন হচ্ছে। এখানে কি নিজের ব্যর্থতা, নাকি অন্যের? যদি অন্যের হয়ে থাকে, তাহলে বলব— আমি কি বোঝাতে ভুল করেছি? নাকি সে আমাকে বুঝেনি? যদি তাই হয়, তাহলে সেখান থেকে সরে আসা উচিত। দরকারই নেই আমাকে নতুন করে বুঝতে দেওয়া। এটাও এক ধরনের শিক্ষা। আমি মনে করি, এটাকে মেনে নিয়েই পথ চলা উচিত।

  • স্বপ্ন…

একটাই— আমি সুস্থভাবে দীর্ঘজীবন খুব শান্তিতে, নিরিবিলি-সুন্দর একেকটা বিকেলে এক কাপ চা হাতে প্রকৃতিকে উপভোগ করব, প্রাণ ভরে নিঃশ্বাস নেব।

  • আত্মার আমি…

আমার অন্তর্গত যে মানুষটা আমি, সেটা একদম স্বচ্ছ। আমি যদি মুখে কথা নাও বলি, আমার চোখ দেখলেই আপনি আমাকে বুঝতে পারবেন। আমাকে খুব সহজে চেনা যায়, খুব সহজে পড়া যায়, খুব সহজে বোঝা যায়।

যে নারী একাধারে সীতা-দ্রৌপদী-চিত্রাঙ্গদা, তার অন্তর্নিহিত স্বচ্ছতার এই শক্তি ছড়িয়ে পড়ুক সবখানে। অনেক অনেক শুভকামনা।

সারাবাংলা/এএসজি/টিআর/পিএম


আরও পড়ুন :

.   এপ্রিলে জানা যাবে লালবাহাদুর শাস্ত্রীর মৃত্যু রহস্য!

.   জুলাইতে আসছে ব্র্যাড-ক্যাপ্রিও’র ছবি

.   শোবিজের দুই সংগঠনে নির্বাচনী হাওয়া

.   ফ্লোরে গড়ালো ‘মিশন এক্সট্রিম’

.   দীপিকা যা স্বপ্নে দেখেন…


বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন