শুক্রবার ৬ ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং , ২২ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ৮ রবিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

মা-বাবা পরালেন র‌্যাংক-ব্যাজ, ব্যতিক্রমী আয়োজন সিএমপিতে

নভেম্বর ১৭, ২০১৯ | ১০:৩৮ অপরাহ্ণ

সারাবাংলা ডেস্ক

চট্টগ্রাম ব্যুরো: ব্যতিক্রমী আয়োজনের মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশে (সিএমপি) সদ্য পরিদর্শক হিসেবে পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তাদের র‌্যাংক-ব্যাজ পরানো হয়েছে। সাধারণত পদোন্নতির পর র‌্যাংক-ব্যাজ পরিয়ে দেন জ্যেষ্ঠ কোনো কর্মকর্তা। কিন্তু এবার দীর্ঘদিনের এই প্রথা ভেঙেছেন সিএমপি কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমান। র‌্যাংক-ব্যাজ পরানোর ক্ষেত্রে তিনি এবার নিজের সঙ্গে নিয়েছেন পদোন্নতিপ্রাপ্তদের পরিবারের সদস্যদেরও; যা বাংলাদেশ পুলিশে এবারই প্রথম।

বিজ্ঞাপন

রোববার (১৭ নভেম্বর) সকালে সিএমপি কমিশনারের আমন্ত্রণে পুলিশ পরিদর্শক পদে পদোন্নতি পাওয়া ১১ কর্মকর্তার কয়েকজন মা-বাবা, স্ত্রী নিয়ে আসেন র‌্যাংক-ব্যাজ পরতে। এক কাঁধে কমিশনার এবং আরেক কাঁধে পরিবারের সদস্যরা তাদের পরিয়ে দিয়েছে র‌্যাংক-ব্যাজ। এসময় নগরীর দামপাড়ায় সিএমপি কমিশনারের সম্মেলনকক্ষে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (গণমাধ্যম) আবু বক্কর সিদ্দিকী সারাবাংলাকে বলেন, ‘পদোন্নতি পাওয়া, ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তার কাছ থেকে র‌্যাংক-ব্যাজ পরা পুলিশের যেকোনো পর্যায়ের কর্মকর্তার জন্য স্মরণীয় ঘটনা। কিন্তু সেটা আরও স্মরণীয় হয়ে যায় যখন তাদের মা-বাবা কিংবা পরিবারের সদস্যরা তাদের র‌্যাংক-ব্যাজ পরিয়ে দেন। শুধু তাদের জন্য নয়, মা-বাবার জন্যও এটা বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। আমাদের কমিশনার স্যার ব্যতিক্রমী একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, যা বাংলাদেশ পুলিশে আগে কখনো ছিল না। যারা মা-বাবাকে পাশে নিয়ে র‌্যাংক-ব্যাজ পরলেন তারা কখনও এই মুহূর্তটি ভুলতে পারবেন না।’

বিজ্ঞাপন

পদোন্নতি পাওয়া ১১ পুলিশ পরিদর্শক হলেন- মোস্তফা কামাল, কায়সার হামিদ, লিয়াকত আলী, রাশেদুল ইসলাম, আতিকুল ইসলাম, ফরিদুল আলম, শফিকুর রহমান, মোহাম্মদ মহিদুল আলম, সাহিদা আক্তার, মোহাম্মদ কাইছার হামিদ এবং শিবেন বিশ্বাস।

শিবেন বিশ্বাস গিয়েছিলেন তার মা-বাবাকে সঙ্গে নিয়ে। সাহিদা আক্তার বাবাকে এবং কায়সার হামিদ স্ত্রীকে নিয়ে গিয়েছিলেন। আরও কয়েকজন তাদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে গেছেন।

লিয়াকত আলী সারাবাংলাকে বলেন, ‘কমিশনার স্যারের পক্ষ থেকে সবার পরিবারের সদস্যদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। আমার আম্মা অসুস্থ, তাই আসতে পারেননি। কয়েকজনের পরিবারের সদস্যরা চট্টগ্রামে থাকেন না। সেজন্য তারাও আসতে পারেননি। তবে কমিশনার স্যার যে উদ্যোগটি নিয়েছেন, সেটি অসাধারণ এবং আমাদের কাছে দিনটি অবশ্যই স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’

এ সময় সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার আমেনা বেগম, এস এম মোস্তাক আহমেদ খান, অতিরিক্ত উপ-মহা পুলিশ পরিদর্শক শ্যামল কুমার নাথ ছিলেন।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন