সোমবার ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং , ৮ আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২৩ মুহাররম, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

সাগরে ৬৫ দিন মাছ ধরা নিষিদ্ধ

মে ২২, ২০১৯ | ৫:০৩ অপরাহ্ণ

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: প্রতিবছরের মতো এবারও বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরা নিষিদ্ধ করেছে মৎস্য ও প্রানিসম্পদ মন্ত্রণালয়। ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত একটানা ৬৫ দিন বাংলাদেশ নিয়ন্ত্রিত বঙ্গোপসাগরে সম্পূর্ণরুপে মাছ (চিংড়ি, লবস্টার, কাটলফিশ) ধরা নিষিদ্ধ থাকবে। সামুদ্রিক মাছের উৎপাদন বাড়াতে প্রজনন মৌসুমের জন্য এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। মৎস্য আহরণ বন্ধকালীন সময়ে এবারই প্রথমবারের মতো উপকূলীয় ১২ জেলার জেলেদের জন্য ভিজিএফ কর্মসূচীর আওতায় খাদ্য সহায়তা ঘোষণা করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বুধবার (২২ মে) মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মৎস্য প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরু এসব তথ্য জানান। তিনি আশা জানিয়ে বলেন, জাটকা নিধন প্রতিরোধ কর্মসূচির মতো সামুদ্রিক মাছের উৎপাদন বাড়াতেও ৬৫ দিনের খাদ্য সহায়তা বিশেষ ভূমিকা রাখবে। জেলেরা ডিমওয়ালা মাছ ও চিংড়ি আহরণ থেকে বিরত থাকবে এবং এতে ডিমওয়ালা মাছ ও চিংড়ির নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টি হবে।

মন্ত্রী জানান, উপকূলীয় ১২টি জেলার ৪২ উপজেলার ৪ লাখ ১৪ হাজার ৭৮৪ টি জেলে পরিবারের মাছ-আহরণ ছাড়া বিকল্প আয়ের উৎস না থাকায় এবারই প্রথম নিষিদ্ধকালীন ৬৫ দিনের জন্য ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় পরিবার প্রতি মাসিক ৪০ কেজি করে মোট ৩৬ হাজার মেট্রিক টন চাল সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। ঈদের আগেই এ খাদ্যসহায়তা দেয়া হবে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। মাছের তিনটি নিষিদ্ধ সময়ের জন্য আগামী ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে ২২৫ কোটি টাকা বরাদ্দের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানানো হয়।

প্রতিমিন্ত্রী বলনে, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে দেশে মোট ৪২ দশমিক ৭৭ লাখ মেট্রিকটন মাছ উৎপাদিত হওয়ার মাধ্যমেই দেশ মাছে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। এই উৎপাদনের মধ্যে সামুদ্রিক মৎস্যখাতের অবদান ৬ দশমিক ৫৬ লাখ মেট্রিকটন, যা দেশের মোট মৎস্য উৎপাদনের ১৫ দশমিক ৩৩ শতাংশ।

সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রণালয়ের সচিব রইছ উল আলম মণ্ডল, মৎস্য অধিদফতরের মহপরিচালক আবু সাইদ মো. রাশেদুল হক, মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের ডিজি ড ইয়াহিয়াসহ মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/ইএইচটি/জেএএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন