রবিবার ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং , ১ পৌষ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৭ রবিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

‘খালেদা জিয়ার জামিন বিষয়ে সরকারের প্রতিহিংসার প্রশ্নই ওঠে না’

ডিসেম্বর ৩, ২০১৯ | ৬:২০ অপরাহ্ণ

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়া প্রথমে বিচারিক আদালত এবং পরে উচ্চ আদালতে দণ্ডিত হয়েছেন। পাশাপাশি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের টাকা আত্মসাতের কারণেও তার দণ্ড হয়েছে। তার জামিনের বিষয়টি আদালতের এখতিয়ারে। এখানে সরকারের প্রতিহিংসার কোনো প্রশ্নই ওঠে না।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) ঢাকায় বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে জিপি (গভর্নমেন্ট প্রসিকিউটর) এবং পিপি (পাবলিক প্রসিকিউটর) দের জন্য আয়োজিত ২১তম বিশেষ প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি আমলে আদালতকে যেভাবে নিজেদের পকেটে রাখা হতো, সেই অবস্থা এখন আর নেই। বিচার বিভাগ এখন সম্পূর্ণ স্বাধীন।’

ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল আইন সংশোধনের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘জাতীয় সংসদের আগামী অধিবেশনে এই আইন সংশোধনের জন্য উত্থাপন করা হবে। বর্তমানে একজন যুগ্ম জেলা জজ ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আইনটি সংশোধন হলে যুগ্ম জেলা জজের পাশাপাশি সিনিয়র সহকারী জজ ও সহকারী জজরাও এই মামলাগুলোর বিচার করতে পারবেন। এতে করে মামলা নিষ্পত্তির হার বাড়বে।’

বিজ্ঞাপন

এর আগে অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘একসেস টু জাসটিসকে বিস্তৃত করার ক্ষেত্রে জিপি- পিপিদের সেবার মানসিকতা নিয়ে দায়িত্ব পালন করতে হবে। প্রায়ই শোনা যায় কোনো কোনো জিপি-পিপি বিভিন্ন অজুহাতে আদালতে সময়ের দরখাস্ত দাখিল করে থাকেন যা মোটেই ঠিক না। মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করতে অবশ্যই আদালতের সময় ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।’

মামলার জট কমিয়ে আনার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার কতিপয় উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘দেওয়ানী কার্যবিধি এবং অর্থঋণ আদালত আইন সংশোধনের মাধ্যমে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান অন্তর্ভুক্ত করে দ্রুত বিচার নিষ্পত্তির সহায়ক আইন করা হয়েছে। জিপি-পিপিদের এ আইনের বিধানগুলো অনুসরণ করতে হবে এবং বিচারপ্রার্থী জনগণসহ আইনজীবীদের এ বিষয়ে উৎসাহ প্রদান করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘একবিংশ শতাব্দীর সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার জন্য বিচার বিভাগকে আধুনিকীকরণের লক্ষ্যে সরকার এরই মধ্যে অনেক পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে টেকশই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা এবং রূপকল্প-২০২১ এর লক্ষ্য অর্জনের জন্য আইন মন্ত্রণালয় বিচার বিভাগকে সবধরনের সহায়তা প্রদান করে আসছে।’

বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক বিচারপতি খোন্দকার মূসা খালেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইন সচিব মো. গোলাম সাওয়ার।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/জেডএফএম/পিটিএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন