সোমবার ২২ এপ্রিল, ২০১৯ ইং , ৯ বৈশাখ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৪ শাবান, ১৪৪০ হিজরী

বিজ্ঞাপন

শিক্ষকের হামলায় শিক্ষার্থী আহত

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০১৯ | ৩:০৮ পূর্বাহ্ণ

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট ।।   

ভোলা: জেলার দৌলতখান উপজেলায় অটোতে উঠতে না পারার ক্ষোভে সাত ছাত্রীসহ আট পরীক্ষার্থীকে পিটিয়ে আহত করেছে এক প্রধান শিক্ষক। এ সময় শিক্ষার্থী ছাড়া আরও একজন আহত হয়েছেন। সোমবার দুপুর ২টায় দৌলতখানের গোডাউন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

শিক্ষকের মারধরে আহতরা হলেন ফারজানা আক্তার, লিমা আক্তার, রাবেয়া আক্তার, নিলুফা বেগম, সোনিয়া বেগম, হাফসা আক্তার, রাফিয়া বেগম, মো. রাশেদ ও অটো ড্রাইভার মো. জামাল উদ্দিন। আহতরা উপজেলার দক্ষিণ পূর্ব নলগড়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে এ বছর দাখিল পরীক্ষা দিচ্ছেন।

বিজ্ঞাপন

মাদ্রাসার শিক্ষক ও আহত পরীক্ষার্থীদের বক্তব্য থেকে জানা যায়, ভাড়া করা অটোতে পরীক্ষা দিতে যাওয়ার সময় পথিমধ্যে নলগড়া শরিফ বাড়ী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কাছে গেলে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মিজানুর রহমান শরিফ তাদের অটোতে উঠতে চান। পরীক্ষার্থীরা অটো দাড় করিয়ে সিট খালি নেই জানালে অভিযুক্ত শিক্ষক তাদেরকে গালামন্দ করেন। পরে পরীক্ষা দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে ওই শিক্ষক একটি তাদের পথ রোধ করে। শিক্ষক মিজান ও তার সহযোগি মিলে ছাত্রীদের মারধর করে।

পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে। বর্তমানে তারা ভোলা সদর হাসপাতালে চিকিসাধীন রয়েছে। আহতদের মধ্যে এদের মধ্যে পরীক্ষার্থী ফারজানা আক্তার এবং অটো ড্রাইভার জামাল উদ্দিনের অবস্থা গুরুতর। এ ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয়রা বিক্ষোভ মিছিল করেছে।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক মো. মিজানুর রহমান শরিফ বলেন, ‘আমি অটো ড্রাইভারকে চর-থাপ্পর দিয়েছি। কিন্তু কোনো ছাত্রীকে মারধর করি নাই। মাদ্রসা ও স্কুল পাশাপাশি হওয়ায় তাদের সাথে আমার প্রাতিষ্ঠানিক দ্বন্দ রয়েছে। এজন্যই তারা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করছে।’

দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনায়েত হোসেন জানান, এ ঘটনায় পরীক্ষার্থী সোনিয়া বেগমের মা বাদী হয়ে প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। অভিযুক্ত মিজানুর রহমানেকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলেও জানান ওসি।

সারাবাংলা/টিএস

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন