সোমবার ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং , ১ আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৬ মুহাররম, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

উচ্চ স্তরের সিগারেটের দাম ন্যূনতম ১৫ টাকা!

জুন ১৩, ২০১৯ | ৪:৪৪ অপরাহ্ণ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বিড়ি ও সিগারেটসহ সব ধরনের তামাকজাত পণ্যের ওপর সম্পূরক শুল্ক বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রস্তাবনা অনুযায়ী, নিম্নস্তরের সিগারেট প্রতি শলাকার দাম হবে ন্যূনতম ৫ টাকা ৭৩ পয়সা, মধ্যম স্তরে ১০ টাকা ৪০ পয়সা এবং উচ্চ স্তরের সিগারেটের দাম হবে ন্যূনতম ১৫ টাকা ৩৫ পয়সা। সর্বোচ্চ ২০ টাকা ৩০ পয়সা হবে এই স্তরের সিগারেটের দাম।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল প্রস্তাবিত বাজেট উত্থাপন করেন। বিকেল ৩টায় শুরু হয় অধিবেশন। তবে বাজেট বক্তৃতার সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাজেট বক্তৃতা চালিয়ে যান।

বাজেট প্রস্তাবনায় সিগারেটের নিম্নস্তরের ১০ শলাকার দাম ৩৭ টাকা এবং এর ওপর ৫৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। মধ্যম স্তরের ১০ শলাকার দাম ৬৩ টাকা ও ৬৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্কের প্রস্তাব করা হয়েছে। আর উচ্চ স্তরের ১০ শলাকা সিগারেটের দাম ৯৩ টাকা ও ১২৩ টাকা এবং প্রতিটির ওপর ৬৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে।

এই হিসাব অনুযায়ী, কোনো স্তরের সিগারেটের দামই ৫ টাকা ৭৩ পয়সার কমে হবে না। অন্যদিকে, সর্বোচ্চ ২০ টাকা ৩০ পয়সা হবে এক শলাকা সিগারেটের দাম।

এদিকে, যন্ত্রের সাহায্য ছাড়াই হাতে তৈরি ফিল্টারবিহীন বিড়ির ২৫ শলাকার দাম ১৪ টাকা এবং ৩৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। আর ফিল্টার সংযুক্ত বিড়ির ২০ শলাকার দাম ১৭ টাকা ও এর ওপর ৪০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

গুঁড়া দুধে আমদানি শুল্ক ৫ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশ করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে বাজেটে। চিনি আমদানিতেও রেগুলেটরি ডিউটি ২০ শতাংশ থেকে ৩০ শতাংশ করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এতে আমদানি করা গুঁড়া দুধ ও চিনির দাম বাড়বে।

সারাবাংলা/এসজে/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন