বুধবার ১৩ নভেম্বর, ২০১৯ ইং , ২৯ কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৫ রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

‘ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের অধিকারে হস্তক্ষেপ করলে কঠোর ব্যবস্থা’

অক্টোবর ১৮, ২০১৯ | ৬:১৫ অপরাহ্ণ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: দেশে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর অধিকারে কেউ হস্তক্ষেপ করলে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নেবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী  শ ম রেজাউল করিম।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, আমরা চাই, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলো তাদের নিজেদের কৃষ্টি-সংস্কৃতি নিয়ে স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকুক। তাদের অধিকারে কেউ হস্তক্ষেপ করবে না। যদি করে, তাদের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নেবে।

শুক্রবার (১৮ অক্টোবর) বিকেলে বনানীর সুয়াত মাঠে ১৩তম গারো ঐতিহ্যবাহী ওয়ানগালা উদযাপন ২০১৯ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ কখনো পাহাড়ে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি করেনি উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষ নিয়ে পাহাড়ের সমতলে বসবাস কারা শুরু করেছিল, সেটা সবাই জানে। আওয়ামী লীগ সরকার পাহাড়ে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি করেনি। যারা মানুষ নিয়ে সমতলে বসবাস শুরু করেছিল, তারা কেউ আওয়ামী লীগের না। এরা আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে। এজন্য সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।

গারো সম্প্রদায়সহ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলো নিজেদের সংস্কৃতি হারালে বাঙালিরাও ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে উল্লেখ করেন শ ম রেজাউল করিম। তিনি বলেন, আমরা চাই, গারো সম্প্রদায় যেন বিলীন হয়ে না যায়। তাদের সংস্কৃতি যেন ধ্বংস না হয়। আপনাদের (গারো) ভাষাকে সমৃদ্ধ করুন। এটা যেন হারিয়ে না যায়। সরকার আপনাদের সব সুযোগ-সুবিধা দেবে। গারোদের কৃষ্টি হারালে বাঙালিও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এজন্য গারোদের একাডেমিক গবেষণা দরকার।

গারো সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী ওয়ানগালা উদযাপন পরিষদের সভাপতি মুকুল চিছামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ওয়ানগালার নকমা সাগর রিছিলসহ অন্যরা।

সকালে দেবতাদের পূজার মাধ্যমে শুরু হয় ওয়ানগালা উৎসব। পরে ‘আমুয়া’, ‘গালা’র ইত্যাদি ধর্মীয় আচার পালন করা হয়। দুপুরের বিরতির পর শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে নিজস্ব ভাষায় গান গেয়ে শোনান গারো শিল্পীরা। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল গারোদের ঐতিহাবাহী জুম নাচ।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এসজে/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন