বিজ্ঞাপন

মানিলন্ডারিং মামলায় ডেসটিনির রফিকুলের ১২ বছর জেল

May 12, 2022 | 11:28 am

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেডের বিরুদ্ধে চার হাজার ১১৯ কোটি ২৪ লাখ টাকা মানিলন্ডারিং আইনে মামলায় প্রতিষ্ঠানটির এমডি রফিকুল আমীনের ১২ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আরেক আসামি লে. জেনারেল (অব.) হারুন-অর-রশিদের ৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (১২ মে) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক শেখ নাজমুল আলমের আদালত আলোচিত এই রায় ঘোষণা করন। এর আগে, গত ২৭ মার্চ দুদক ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্কে শুনানি শেষে রায়ের জন্য এ তারিখ ঠিক করা হয়েছিল।

২০১৪ সালের ৪ মে দুই মামলায় চার্জশিট দাখিল করে দুদক। চার্জশিটে কো-অপারেটিভ সোসাইটির মামলায় আসামি ৪৬ জন এবং ট্রি প্ল্যানটেশন মামলায় আসামি ১৯ জন। ডেসটিনির এমডি রফিকুল আমিনসহ ১৪ জনের নাম দুই মামলায় থাকায় মোট আসামি ৫১ জন।

বিজ্ঞাপন

আসামিদের মধ্যে রফিকুল আমীন, প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেন ও লে. কর্নেল (অব.) মো. দিদারুল আলম গত দশ বছর ধরে কারাগারে আছেন। জামিনে আছেন আসামি লে. জেনারেল (অব.) হারুন-অর-রশিদ, মিসেস জেসমিন আক্তার (মিলন), জিয়াউল হক মোল্লা ও সাইফুল ইসলাম রুবেল। বাকী ৪৪ জন আসামি এখনো পলাতক রয়েছেন।

পলাতক আসামিরা হলেন— ডেসটিনির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোফরানুল হক, পরিচালক মেজবাহ উদ্দিন, ফারাহ দীবা, সাঈদ-উর-রহমান, সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন, জমশেদ আরা চৌধুরী, ইরফান আহমেদ, শেখ তৈয়বুর রহমান, নেপাল চন্দ্র বিশ্বাস, জাকির হোসেন, জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া, এসএম আহসানুল কবির, জুবায়ের হোসেন, মোসাদ্দেক আলী খান, আবদুল মান্নান, আবুল কালাম আজাদ, আজাদ রহমান, মো. আকবর হোসেন সুমন, মো. সুমন আলী খান, শিরীন আকতার, রফিকুল ইসলাম সরকার, মো. মজিবুর রহমান, ড. এম হায়দারুজ্জামান, মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন, কাজী মো. ফজলুল করিম, মোল্লা আল আমীন, মো. শফিউল ইসলাম, ওমর ফারুক, সিকদার কবিরুল ইসলাম, মো. ফিরোজ আলম, সুনীল বরণ কর্মকার ওরফে এসবি কর্মকার, ফরিদ আকতার, এস সহিদুজ্জামান চয়ন, আবদুর রহমান তপন, মেজর (অব.) সাকিবুজ্জামান খান, এসএম আহসানুল কবির (বিপ্লব), এএইচএম আতাউর রহমান রেজা, গোলাম কিবরিয়া মিল্টন, মো. আতিকুর রহমান, খন্দকার বেনজীর আহমেদ, একেএম সফিউল্লাহ, শাহ আলম, মো. দেলোয়ার হোসেন ও মো. শফিকুল হক।

বিজ্ঞাপন

মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভের নামে ডেসটিনি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করে ১ হাজার ৯০১ কোটি টাকা। সেখান থেকে ১ হাজার ৮৬১ কোটি ৪৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ করা হয়। মামলাটিতে আদালত চার্জশিটে থাকা ৩০৩ জন সাক্ষীর মধ্যে ২০২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

সারাবাংলা/এআই/এনএস

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন