বিজ্ঞাপন

‘পি কে হালদারকে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করা হবে`

May 15, 2022 | 6:51 pm

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: ভারতের পশ্চিমবঙ্গে গ্রেফতার প্রশান্ত কুমার হালদারকে (পি কে হালদার) শিগগিরই দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করা হবে বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন।

বিজ্ঞাপন

রোববার (১৫ মে) সুপ্রিম কোর্টে তার নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের কাছে এ কথা বলেন অ্যাটর্নি জেনারেল।

অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকারের অনুরোধেই ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকার পি কে হালদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে। সেদেশের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) তাকে গ্রেফতার করেছে। বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থা তাদের জানিয়েছিল অর্থপাচারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি সেখানে অবস্থান করছে। সে তথ্যের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে যেহেতু ইন্টারপোলের রেড অ্যালার্ট জারি করা আছে। এখন তাকে বাংলাদেশে নিয়ে এসে তার বিরুদ্ধে যেসব মামলা বিচারাধীন সেসব মামলায় বিচারের সম্মুখীন করা হবে।’

বিজ্ঞাপন

এর আগে শনিবার (১৪ মে) ভারতের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) পশ্চিমবঙ্গ থেকে অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে বিদেশে পালিয়ে থাকা এই বাংলাদেশিকে গ্রেফতার করে।

ইডি জানায়, পি কে হালদার রেশন কার্ড, ভারতীয় ভোটার আইডি কার্ড, আয়কর দফতরের পরিচয়পত্র পিএএন (প্যান) এবং আধার কার্ডের মতো বিভিন্ন ভারতীয় সরকারি পরিচয়পত্র জালিয়াতি করে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার অশোকনগরে অবস্থান করছিলেন। তিনি সেখানে পি কে শিব শংকর হালদার নামে নিজেকে পরিচয় দিতেন ও ভারতীয় নাগরিক হিসেবে দাবি করতেন।

বিজ্ঞাপন

জানা গেছে, উত্তর ২৪ পরগনা, কলকাতা এবং দক্ষিণ ২৪ পারগনার বিভিন্ন এলাকায় পি কে হালদার ও তার সহযোগীরা স্থাবর সম্পত্তি কিনেছেন। বর্তমানে সেগুলো সিলগালা করা হয়েছে।

এর আগে, রোববার প্রেসক্লাবে এক অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘পি কে হালদার বাংলাদেশের মোস্ট ওয়ান্টেড ব্যক্তি। শুনেছি ভারতে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কিন্তু তারা আমাদের এখনো অফিসিয়ালি কিছু জানায়নি। ভারত অফিসিয়ালি আমাদের জানালে তাকে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।’

বিজ্ঞাপন

এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রশান্ত কুমার হালদার ওরফে পি কে হালদার ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকা অর্থ আত্মসাৎ ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে এ পর্যন্ত মোট ৩৪টি মামলা করেছে দুদক। এগুলোর মধ্যে একটির অভিযোগপত্র আদালতে দাখিলও করা হয়েছে। সেইসঙ্গে আরও তিনটি অভিযোগপত্র কমিশনের অনুমোদনের জন্য অপেক্ষায় রয়েছে।

মামলায় আসামিদের মধ্যে ১৩ জনকে ইতোমধ্যেই গ্রেফতার ও রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জন আসামি আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। বাকি ৬৪ জনের বিদেশ যাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে আদালত।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/কেআইএফ/পিটিএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন