বিজ্ঞাপন

নারায়ণগঞ্জে ডিবি পুলিশের সঙ্গে এলাকাবাসীর সংঘর্ষে আহত ১০

August 27, 2018 | 1:32 pm

।। ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট ।।

বিজ্ঞাপন

নারায়ণগঞ্জ শহরের খানপুর বরফকল এলাকায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের(ডিবি) সঙ্গে এলাকাবাসীর সংঘর্ষ হয়েছে। এসময় ডিবি পুলিশের পাঁচ কর্মকর্তাসহ ১০ জন আহত হন। পাঁচজনকে জরুরি চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

রোববার (২৬ আগস্ট) রাত সাড়ে ৮টার দিকে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। জেলা ডিবি পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নূরে আলমকে প্রধান করে ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বরফকল খেয়াঘাট এলাকায় মাই লাইফ কেয়ার ফাস্টফুড নামের একটি খাবারের দোকানে পরিবার নিয়ে খেতে যান জেলা ডিবি পুলিশের এএসআই আমিনুল ও এএসআই বকুল। এসময় মিল্কসেইক খাওয়ার পরে সেটি ভাল হয়নি দাবি করে বিল দিতে তারা রাজি না হওয়ায় ফাস্টফুড মালিকের দুই ছেলে আলামীন ও সোহাগের সাথে বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে ডিবি পুলিশের এই দুই কর্মকর্তা তাদের দুই ভাইকে মারধর করেন। খবর পেয়ে তাদের বাবা স্থানীয় যুবলীগ নেতা জালালউদ্দিন ও তার স্ত্রী রিনা ইয়াসমিন ঘটনাস্থলে গেলে তাদেরকেও মারধর করা হয়। এসময় এলাকাবাসী এগিয়ে এসে ওই দুই এএসআইকেও বেধড়ক পিটুনি দেয়। খবর পেয়ে ডিবি’র পরিদর্শক মাসুদ, এসআই মিজান ও এসআই সায়েম ঘটনাস্থলে গেলে এলাকাবাসী তাদেরকেও পিটুনি দেয়া হয়।

পরে যুবলীগ নেতা জালাল, তার স্ত্রী রিনা, দুই পুত্র আলামিন ও রবিনকে খানপুরস্থ ৩০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে এবং ডিবি পুলিশের আহত ৫ কর্মকর্তাকে ১শ’ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নেয়া হয়। প্রাথমিক চিকিৎসার পর ডিবি’র এসআই মিজান, এসআই সায়েম, যুবলীগ নেতা জালাল, তার দুই ছেলে আলামিন ও রবিনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

এ ব্যাপারে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নূরে আলম জানান, ঘটনাটি খুবই দু:খজনক। ওই ঘটনাটি তদন্তের জন্য তাকে প্রধান করে একটি ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ঘটনায় যদি ডিবি পুলিশের কোন কর্মকর্তা দোষী প্রমাণিত হয় তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সারাবাংলা/এনএইচ

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন