শুক্রবার ৬ ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং , ২২ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ৮ রবিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

‘অবৈধ লাইসেন্স ব্যবহারের ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠিন থাকবে’

নভেম্বর ২১, ২০১৯ | ৩:৩৩ পূর্বাহ্ণ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত চালকেরা যে লাইসেন্স দিয়ে রাস্তায় চলাফেরা করেছেন, সেটা দিয়েই চলাফেরা করতে পারবেন। তবে যারা অবৈধ লাইসেন্স ব্যবহার করবেন তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে। অবৈধ লাইসেন্স ব্যবহারের ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠিন থাকবেন।

বিজ্ঞাপন

পণ্যবাহী ট্রাক-কাভার্ডভ্যান পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের সঙ্গে বৈঠকে বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) রাতে বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল এই তথ্য জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, ‘তাদের এক নাম্বার যে দাবি ছিল চালকদের লাইসেন্স সর্ম্পকে। আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত চালকেরা যে লাইসেন্স দিয়ে রাস্তায় চলাফেরা করেছেন, সেটা দিয়েই চলাফেরা করতে পারবেন। তবে আগামী ৩০ জুন পর থেকে সঠিক লাইসেন্স ব্যবহার করতে হবে। যেমন লাইট লাইসেন্স দিয়ে তখন আর ভারি গাড়ি চালাতে পারবেন না। তাদের আরেকটা দাবি হচ্ছে ইতোমধ্যে যেসব মামলা খেয়েছে সেসব মামলার টাকা পরিশোধ না করায় ইতোমধ্যে চারগুণ হয়ে গিয়েছে। তাই সেগুলো যেন মওকুব করা হয় তাদের সে দাবি ও পুনর্বিবেচনা করা হবে। এই জন্য সড়ক ও সেতুমন্ত্রীকে বিষয়টি অবহিত করা হবে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘দীর্ঘদিন যাবৎ তাদের ড্রাইভিং লাইসেন্সে একটা অসংগতি ছিল৷ আমরাও তাদের লাইসেন্সগুলো সঠিকভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দিতে পারছিলাম না৷ এই অবস্থায় এখন তারা যেই ইন্সট্রুমেন্ট দিয়ে গাড়ি চালাচ্ছেন সেই ইন্সট্রুমেন্ট দিয়েই আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত গাড়ি চালাবেন। জুনের মধ্যে তারা বিআরটিএ'র মাধ্যমে তাদের গাড়ির লাইসেন্স ঠিক করে নেবেন।’

বিজ্ঞাপন

লাইসেন্স নিয়ে কেনো জটিলতা সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘চালকদের লাইসেন্সের মধ্যে লাইট, মিডিয়াম, হ্যাভি ও লার্নার, এই চার ক্যাটাগরির লাইসেন্স বিআরটিএ দিয়ে থাকে। তারা সময় মতো লাইসেন্সগুলো বড় করেনি। অর্থাৎ লাইট থেকে মিডিয়াম, মিডিয়াম থেকে হ্যাভিতে নিতে পারেনি। এ কারণেই জটিলতা দেখা দিয়েছে।’

আন্দোলনকারীদের দাবি মেনে নেয়া কি অবৈধ লাইসেন্সকে উৎসাহ যুগানো নয়, এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘অবৈধ লাইসেন্সের প্রশ্নই আসেনা। যেগুলো অবৈধ রয়েছে সেগুলো দিয়েও তারা কাজ করবে না বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সেই জায়গায় কঠিন থাকবেন। যারা অবৈধ লাইসেন্স ব্যবহার করবেন তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণে আইনের পরিপন্থী কিছুই হচ্ছে না। তারা আইনটি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কিছু অসঙ্গতি তুলে ধরেছেন। এখানে সেগুলোর পর্যালোচনা হয়েছে। এই অসঙ্গতিগুলো আমরা যোগাযোগমন্ত্রীর কাছে সুপারিশ আকারে পাঠিয়ে দেবো। পুরো আইনের কয়টি ধারা সংশোধন নিয়ে কথা হয়েছে। বাকি ধারাগুলোর বাস্তবায়ন চলবে।

মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের সঙ্গে বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, ‘আন্দোলনকারীরা নয় দফা দাবিতে যে কর্মবিরতি ঘোষণা করেছিলেন। আমরা বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখেছি। তারা আজ আমাদের এখানে এসেছেন এবং নয় দফা নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে৷ যে দাবিগুলো আমরা সঙ্গত মনে করেছি সেই দাবিগুলোর জন্য আমরা তাদেরকে সময় বেঁধে দিয়েছি।’

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এসএইচ/জেএইচ

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন