বিজ্ঞাপন

পাঠক সমাবেশে গোলাম কাসেম ড্যাডি রচনাসমগ্র পাঠ প্রতিক্রিয়া

November 4, 2022 | 4:38 pm

ফিচার ডেস্ক

ঢাকা: গোলাম কাসেম ড্যাডির রচনাসমগ্রের পাঠ প্রতিক্রিয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সোমবার (৭ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় রাজধানীর কাঁটাবনস্থ পাঠক সমাবেশে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

‘ড্যাডি সমগ্র: পাঠ প্রতিক্রিয়া’ শিরোনামে অনুষ্ঠানে গোলাম কাসেম ড্যাডির গল্প সমগ্র, প্রবন্ধ সমগ্র, আলোকচিত্র ও বিবিধ এবং দুষ্প্রাপ্য গ্রন্থমালা এই চারটি বই নিয়ে আলোচনা থাকবে। অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে থাকবেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আজম, আলোকচিত্রী ও শিক্ষক জান্নাতুল মাওয়া, কথাসাহিত্যিক মোজাফফর হোসেন ও দৃশ্যগল্পকার সুদীপ্ত সালাম। অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনায় থাকবেন কবি ও গবেষক ইমরান মাহফুজ।

উল্লেখ্য, উপমহাদেশের পথিকৃৎ আলোকচিত্রী গোলাম কাসেম ড্যাডির ১২৯তম জন্মদিন ৫ নভেম্বর। ১৮৯৪ খ্রিস্টাব্দের এই দিনে ভারতের জলপাইগুড়িতে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাকে বাংলাদেশের ফটোগ্রাফির জনক বলা হয়। তার হাত ধরে পূর্ববঙ্গে ফটোগ্রাফি শিক্ষাচর্চা শুরু হয়। তিনি ১৯৫১ সালে ঢাকায় প্রথম আলোকচিত্রের স্কুল ট্রপিক্যাল ইনস্টিটিউট অব ফটোগ্রাফি প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠা করেন ক্যামেরা রিক্রিয়েশন ক্লাব। ১৯১৫ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনফ্যানট্রি কোরের সদস্য হিসেবে তিনি প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। গ্লাস প্লেট নেগেটিভে যুদ্ধের দুর্লভ আলোকচিত্র ধারণ করেন।

বিজ্ঞাপন

আলোকচিত্রী গোলাম কাসেম ড্যাডিকে বাঙালি মুসলমানদের মধ্যে প্রথম আধুনিকধারার ছোটগল্প লেখকও বলা হয়। সওগাত যুগে তাকে মুসলমান বাংলা সাহিত্যের শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বলা হতো।

গোলাম কাসেম ড্যাডি ১৯৭৭ সালে নাসিরউদ্দীন স্বর্ণপদক পান। ফটোগ্রাফিতে বিশেষ অবদানের জন্য ২০০৪ সালে তৃতীয় আন্তর্জাতিক ছবি মেলায় তাকে আজীবন সম্মাননা (মরণোত্তর) প্রদান করা হয়। ১৯৮৬ সালে পান সিনেসিক ও সিপিএস পদক। ১৯৮৮ সালে ক্রিয়েটিভ ফটোগ্রাফার্স বাংলাদেশ এর আন্তর্জাতিক স্যালোনে গোলাম কাসেম ড্যাডির নামে পদক প্রবর্তন করা হয়। দৃক প্রতি বছর তার নামে স্মারক বক্তৃতার আয়োজন করে। তিনি বিপিএস এবং ইন্ডিয়ান ইন্টারন্যাশনাল ফটোগ্রাফিক কাউন্সিলের সম্মানিত ফেলো ছিলেন। ১৯৯৮ সালের ৯ জানুয়ারি ১০৪ বছর বয়সে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এসবিডিই/আইই

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন