বুধবার ১৭ জুলাই, ২০১৯ ইং , ২ শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৩ জিলক্বদ, ১৪৪০ হিজরী

বিজ্ঞাপন

কাঁদলেন শেখ হাসিনা-শেখ সেলিম

এপ্রিল ২৩, ২০১৯ | ১০:৩০ অপরাহ্ণ

ঢাকা: বোন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে দেখে নাতি হারানোর শোকে অঝোর নয়নে কেঁদে উঠলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও ফুফাতো ভাই শেখ ফজলুল করিম সেলিম। সে সময়  প্রিয় নাতী হারানোর বেদনায় কেঁদে ওঠেন প্রধানমন্ত্রীও।

মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় তিন দিনের সরকারি সফর শেষে ব্রুনেই থেকে দেশে ফিরলে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুই ভাই-বোনের মাঝে এই আবেগঘন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

শ্রীলংকায় হামলায় শেখ সেলিমের মেয়ে জামাই-নাতি গুরুতর আহত

এসময় বোন শেখ হাসিনা নাতি হারানো শেখ সেলিমের গায়ে হাত বুলিয়ে সান্ত্বনা দেন। দুই ভাই-বোনের অশ্রুঝরা এই বেদনা ছিল নাতি জায়ানের জন্য। যে নাতি কয়েকদিন আগেও ছিল প্রাণবন্ত ছুটে চলা প্রিয় শিশু। তার বিদায়ে শেখ পরিবারে নেমে আসে বেদনার ছোঁয়া।

বিজ্ঞাপন

এর আগে গত রোববার (২১ এপ্রিল) খ্রিষ্টানদের অন্যতম ধর্মীয় অনুষ্ঠান ইস্টার সানডেতে শ্রীলঙ্কায় বিভিন্ন গির্জায় প্রার্থনারতদের ওপর এবং অভিজাত কয়েকটি হোটেলসহ বোমা হামলা হলে জায়ান নিহত হন। শেখ সেলিমের নাতি জায়ান চৌধুরী রাজধানীর উত্তরার সানবিমস স্কুলের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

এছাড়া জায়ান আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিমের নাতি। ওই হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন শেখ সেলিমের মেয়ে শেখ সোনিয়ার স্বামী মশিউল হক চৌধুরী প্রিন্স। তিনি শ্রীলঙ্কার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

শেখ সেলিমের মেয়ে আমেনা সুলতানা সোনিয়া তার স্বামী মশিউল হক চৌধুরী প্রিন্স ও দুই ছেলেকে নিয়ে শ্রীলংকায় বেড়াতে গিয়েছিলেন। তারা কলম্বোর পাঁচ তারকা হোটেল সাংগ্রিলায় উঠেছিলেন। সকালে বড় ছেলে জায়ান চৌধুরীকে নিয়ে হোটেলে নাস্তা করতে গিয়েছিলেন প্রিন্স। এ সময় সেখানে বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। একই সময়ে ছোট ছেলে জোহানকে নিয়ে হোটেল কক্ষে অবস্থান করছিলেন আমেনা সুলতানা সোনিয়া।

শ্রীলংকায় বোমা হামলার ঘটনার সময় ব্রুনেই সফরে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে বাংলাদেশি কমিউনিটির একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে দেওয়া বক্তব্যে বলেন, ‌‌‘একটা দুঃখজনক ঘটনা হলো, শেখ সেলিমের মেয়ে, মেয়ের জামাই তাদের দুই বাচ্চা নিয়ে শ্রীলংকায় ছিল। তারা রেস্টুরেস্টে খাচ্ছিল। সেখানে বোমা হামলা হয়েছে। জামাইটা আহত হয়ে হাসপাতালে, বাচ্চাটার এখনো কোনো খবর পাওয়া যাচ্ছে না। আপনারা দোয়া করেন। সেখানে ভয়াবহ একটা অবস্থা।’

সারাবাংলা/এনআর/এমআই

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন