মঙ্গলবার ১৯ নভেম্বর, ২০১৯ ইং , ৫ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২১ রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

মোশাররফের ঝুলিতে কৌতুক অভিনেতার পুরস্কার, কারণ…

নভেম্বর ৮, ২০১৯ | ৩:১৯ অপরাহ্ণ

এন্টারটেইনমেন্ট করেসপন্ডেন্ট

সদ্য প্রকাশিত জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রাপ্তদের নাম প্রকাশের পর তা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে।সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, এত বড় পুরস্কার দেওয়ার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা অবলম্বন করা হয়নি। ফলে এমন সিনেমাকে পুরস্কারের জন্য মনোনিত করা হয়েছে যা পুরস্কারের যোগ্য নয়। শুধু তাই নয়, এমন কয়েকজন শিল্পী ও কলাকুশলীকে পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে তারা এর যোগ্যতা রাখেন না বলে মনে করছেন তারা।

বিজ্ঞাপন

শবনম ফারিয়া, সিয়াম, চঞ্চল চৌধুরী, নির্মাতা রায়হান রাফিসহ অনেকে মনে করছেন, একমাত্র লবিংয়ের কারণে অযোগ্যরা জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাচ্ছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা এটি নিয়ে মতামত দিয়েছেন।

বিষয়টি নিয়ে কথা হয় ২০১৭ ও ২০১৮ সালের জুরি বোর্ডে থাকা সদস্য চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার এর সঙ্গে।

সারাবাংলা ডটনেটকে গুলজার বলেন, লবিংয়ের কোনো প্রশ্নই ওঠে না। যারা জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য তারাই পেয়েছেন। যারা দাবি করছেন, লবিংয়ের কারণে তারা পুরস্কার পাননি তাদের দাবি ভুল। তারা সবাই মেধাবী। তবে ‍পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য মনে করেনি আমাদের জুরি বোর্ড। জুরি বোর্ডের সদস্যরা যোগ্য থেকে যোগ্যতরদের পুরস্কারের জন্য মনোনিত করেছেন।

বিজ্ঞাপন
জুরি বোর্ডের সদস্য ও চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার। ছবি: সংগৃহীত
জুরি বোর্ডের সদস্য ও চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার। ছবি: সংগৃহীত

এসময় তিনি ভারতীয় ভিডিও সম্পাদক মো. কালামের উদাহরণ টেনে বলেন, জুরি বোর্ড যদি লবিংয়ের মাধ্যমে পুরস্কার দিত তাহলে, ভারতের নাগরিক মো. কালাম নিশ্চয়ই পুরস্কার পেতেন না। আমরা জানি না তিনি ভারতীয়। কেবল যোগ্যতার বিবেচনায় তাকে পুরস্কারের জন্য মনোনিত করেছি।

গুলজার জানান, ‘ঢাকা অ্যাটাক’ সিনেমার প্রযোজক ভুল স্বীকার করে চিঠি দিয়েছেন। খুব শিগগিরই পুরস্কারটি বাতিল করে নতুন প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হবে।

বিতর্ক বেশি জোড়ালো হয়েছে মোশাররফ করিমকে শ্রেষ্ঠ কৌতুক অভিনেতার পুরস্কার দেওয়ায়। এ প্রসঙ্গে গুলজার বলেন, কৌতুক অভিনেতা বলতে কিন্তু ‍শুধু দাঁত বের করে হেসে মানুষ হাসবেন তা নয়। আমাদের দেশে কৌতুক অভিনেতা এখন নেই। যারা আছেন তাদের অভিনয় দেখে মানুষ হাসে না। ‘কমলা রকেট’ সিনেমায় মোশাররফ করিমের সংলাপ শুনে হাসি পেয়েছে। মানুষ মজা পেয়েছে বলেই তাকে কৌতুক অভিনেতা বিভাগে যুগ্মভাবে সেরা কৌতুক অভিনেতার পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) তথ্য মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন দিয়ে এক সঙ্গে ২০১৭ ও ২০১৮ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ঘোষণা করে।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/আরএসও

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন