বিজ্ঞাপন

বাড়বে বিলাসবহুল গাড়ির দাম

June 9, 2022 | 4:30 pm

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে মোটরগাড়ি ও জীপ গাড়ি আমদানিতে সম্পূরক শুল্ক বাড়ানো হয়েছে। যার কারণে আমদানি করা বিলাসবহুল গাড়ির দাম বাড়বে।

বিজ্ঞাপন

প্রস্তাবিত বাজেটে বলা হয়েছে- সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ২০০১ সিসি থেকে ৩০০০ সিসি পর্যন্ত গাড়ির সম্পূরক শুল্ক বর্তমানে ২০০ শতাংশ রয়েছে। সেটি বাড়িছে ২৫০ শতাংশ করা হয়েছে। ৩০০১ সিসি থেকে ৪০০০ সিসি পর্যন্ত গাড়ির সম্পূরক শুল্ক বর্তমানে রয়েছে ৩৫০ শতাংশ। সেটি বাড়িয়ে ৫০০ শতাংশ করা হয়েছে। তবে ৪০০০ সিসি এর ঊর্ধ্বে গাড়ির সম্পূরক শুল্ক আগের মতোই অর্থাৎ ৫০০ শতাংশই রাখা হয়েছে।

আরও বলা হয়েছে- এ ছাড়া যেসব গাড়ির পণ্য দেশে এনে তৈরি করা হচ্ছে সেসব গাড়িরও দাম বাড়বে। যেমন, ২০০১ সিসি থেকে ৩০০০ সিসি পর্যন্ত গাড়ির সম্পূরক শুল্ক ১০০ থেকে বাড়িয়ে ১৫০ শতাংশ করা হয়েছে। ৩০০১ সিসি থেকে ৪০০০ সিসি পর্যন্ত গাড়ির সম্পূরক শুল্ক বাড়ানো হয়েছে ৫০ শতাংশ। আগের ৩০০ শতাংশ থেকে এটি বেড়ে হয়েছে ৩৫০ শতাংশ। ৪০০০ সিসি এর ঊর্ধ্বে এ ধরনের গাড়ির সম্পূরক শুল্কও বাড়ানো হয়েছে ১৫০ শতাংশ। এ ক্ষেত্রে সম্পূরক শুল্ক ৩৫০ থেকে ৫০০ শতাংশ করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন-

অপরদিকে, হাইব্রিড গাড়ির সম্পূরক শুল্ক বাড়ানো হয়েছে। এর মধ্যে ২০০১ সিসি থেকে ২৫০০ সিসি পর্যন্ত হাইব্রিড গাড়ির শুল্ক ৪৫ থেকে ৬০ শতাংশ করা হয়েছে। ২৫০১ সিসি থেকে ৩০০০ সিসি পর্যন্ত গাড়ির সম্পূরক শুল্ক ৬০ থেকে বেড়ে হয়েছে ১০০ শতাংশ। ৩০০১ সিসি থেকে ৪০০০ সিসি পর্যন্ত গাড়ির সম্পূরক শুল্ক ১০০ থেকে ১৫০ শতাংশ হয়েছে। ৪০০০ সিসির ঊর্ধ্বে হাইব্রিড গাড়ির সম্পূরক শুল্ক ৩০০ থেকে ৩৫০ শতাংশ হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য প্রণীত বাজেটের শিরোনাম ‘কোভিডের অভিঘাত পেরিয়ে উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় পরিবর্তন’।

নতুন বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ছয় লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকা। এর আগে, ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেটের আকার ছিল ছয় লাখ তিন হাজার ৬৮১ কোটি টাকা। সংশোধিত বাজেটে তা ১০ হাজার ১৮১ কোটি টাকা কমে পাঁচ লাখ ৯৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকায় নেমে আসে। সে হিসাবে নতুন বাজেটের আকার সবশেষ বাজেটের তুলনায় ৭৪ হাজার ৩৮৩ কোটি টাকা বা ১২ দশমিক ৩২ শতাংশ বেশি। আর সংশোধিত বাজেটের চেয়ে এটি ৮৪ হাজার ৫৬৪ কোটি বা ১৪ দশমিক ২৪ শতাংশ বেশি।

বিজ্ঞাপন

আগামী অর্থবছরের জন্য বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার ধরা হয়েছে দুই লাখ ৪৬ হাজার ৬৬ কোটি টাকা। অন্যদিকে জিডিপি’র আকার প্রাক্কলন করা হয়েছে ৪৪ লাখ ৪৯ হাজার ৯৫৯ কোটি টাকা। জিডিপি প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ। অন্যদিকে আগামী অর্থছরের বাজেটে মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৬ শতাংশ হবে বলে প্রক্ষেপণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন-

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এসজে/একে

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন