মঙ্গলবার ১৯ নভেম্বর, ২০১৯ ইং , ৫ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২১ রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

‘রোহিত প্রলয়’ থামালেই হবে

নভেম্বর ৯, ২০১৯ | ৪:২৪ অপরাহ্ণ

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

রোহিতের ব্যাটিং প্রলয়ে দিনের আলোতেই শত্রু শিবিরে সূর্যাস্ত নামে। যতক্ষণ ক্রিজে থাকেন, তাণ্ডবে ব্যাটিংয়ে লণ্ডভণ্ড করে দেন শত্রুর বোলিং লাইনআপ! মুহুর্মুহু খড়কুটোর মতো উড়ে বল চলে যায় সীমানার বাইরে। উড়ে যায় শত্রু শিবিরও। জয়ের আগেই জয় দেখে ফেলে ভারত!

বিজ্ঞাপন

ঠিক উল্টো চিত্রনাট্যের অবতারণা দেখা যায় তার দ্রুত ফেরায়। জয়ের আগেই জয় দেখে ফেলে প্রতিপক্ষ শিবির।

ক্রিস গেইল যদি হন টি-টোয়েন্টির রাজা, রোহিত হলেন মহারাজা। কেন বলছি? ক্যারিবিয়ান ওপেনারকে টি-টোয়ন্টি লিগগুলোতেই বেশি বিধ্বংসী দেখায়। কিন্তু দেশের হয়ে অতটা নয়। আর রোহিত, ক্লাব দল হোক বা দেশ, যে কোন জার্সিতেই সমান বিধ্বংসী।

বিজ্ঞাপন

দলের জয়ে রোহিতের ব্যাটিং কতটা প্রভাব বিস্তারকারী সেকথা নতুন করে বোধ হয় বলার কোন প্রয়োজনই নেই। বাদ দিন না ওসব স্ট্রাইক রেটের হিসেব আর গাণিতিক যুক্তি। বাংলাদেশের বিপক্ষে শেষ দুটি ম্যাচকেই  কেইসটাডি হিসেবে নিন না!

প্রথম টি-টোয়েন্টি: ৩ নভেম্বর, অরুণ জেটলি স্টেডিয়াম, দিল্লি

সেদিন শফিউলের স্লোয়ারে ৯ রানে ড্রেসিংরুমে ফিরেছিলেন বলেই বাড়তি আত্মবিশ্বাস ভর করেছিল টাইগার শিবিরে। তাতে ভারত পড়েছিল মারাত্মক মনস্তাত্ত্বিক চাপে। সেই চাপ আর  কাটিয়ে উঠতে পারায় সফরকারীদের বড় লক্ষ্যও ছুঁড়ে দেওয়া হয়নি। মামুলি সেই লক্ষ্য মুশফিকের মৃদু ঝড়ে ছুঁয়ে উদ্ভাসিত জয়ে সিরিজ শুরু করেছিল টাইগাররা।

দ্বিতীয় টি-টোয়ন্টি; ৭ নভেম্বর: রাজকোট: গুজরাট

জয়ের জন্য বাংলাদেশের দেওয়া ১৫৪ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে শিখর ধাওয়ানকে সঙ্গে নিয়ে ১৩ ওভারেই দলকে এনে দিলেন ১১৮ রান। ৪৩ বলে খেললেন ৮৫ রানের বিধ্বংসী ইনিংস। জয়ের নিঃশ্বাস দূরতে পৌঁছে গেল ভারত। বাকি কাজটি করে দিলেন শিখর (৩১), লোকেশ (৮) ও শ্রেয়াস (২৪)। সিরিজে ফিরল সমতা।

বলার অপেক্ষাই থাকছে না যে,‘হিট ম্যান’ রোহিতই মূলত এই দুই ম্যাচের পার্থক্যটা গড়ে দিয়েছেন। অতএব রোববার (১০ নভেম্বর) নাগপুরে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে তাকে কেন্দ্র করেই রণ কৌশল সাজাবে টিম বাংলাদেশ। যত দ্রুত তাকে ফিরিয়ে দেওয়া যাবে তত দ্রুতই ভারতের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়ের গর্বিত ইতিহাস গড়ায় পথে এগিয়ে যাওয়া যাবে। আর সেটা না হলে বাড়বে অপেক্ষা।

বাংলাদেশ সময় ম্যাচটি শুরু হবে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায়।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এমআরএফ

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন