বিজ্ঞাপন

হাওয়াইতে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে ৬ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্প

May 5, 2018 | 2:57 pm

।। আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।

বিজ্ঞাপন

প্রশান্ত মহাসাগরীয় যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বৃহৎ দ্বীপ হাওয়াই-এর মাউন্ট কিলাউয়া আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ দিয়ে ভয়ানকভাবে লাভার উদগিরণ হওয়ায় সেখানে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।

লাভা উদগিরণের প্রভাবে ওই এলাকায় ৬ দশমিক ৯ মাত্রার শাক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এতে কিলাউয়া আগ্নেয়গিরি এলাকা জুড়ে ফাটল দেখা দেওয়ায়, জ্বালমুখ ছাড়াও বিভিন্ন ফাটল দিয়ে ধোঁয়া ও লাভার উদগিরণ শুরু হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

ভূমিকম্পের বিষয়টি নিশ্চিত করে মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) বলছে, উদগিরণ শুরুর ২৪ ঘন্টার মধ্যে ওই এলাকায় এক শ ১০ বার ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম সিএনএন, ফ্রান্সের সংবাদসংস্থা এএফপি, ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিসহ আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যগুলো এ খবর জানাচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

হাওয়াইতে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে ৬ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্প

সিএনএন জানায়, লাভার উদগিরণ ক্রমেই ভয়ানক রুপ নিচ্ছে। ফলে ওই এলাকার বাসিন্দাদের বাধ্যতামূলকভাবে এলাকা ছাড়তে বলা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

এ ছাড়া গলিত লাভা চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ছে ও জ্বালামুখ দিয়ে উদগিরিত সালফার-ডাইঅক্সাইড বাতাসে ছড়িয়ে পড়ছে।

শুক্রবার বিকেলে সিভিল ডিফেন্স অ্যাডমিনিসট্রেটর টালমেইজ ম্যাগনো সিএনএনকে জানান, পরিস্থিতি ভাল নয়। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উদগিরণের পরিমাণও বাড়ছে। তবে এ পরিস্থিতি উন্নতির কোনো সম্ভাবনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না।

বিজ্ঞাপন

ম্যাগনো বলেন, অন্তত পাঁচটা জায়গা থেকে প্রবল বেগে লাভার উদগিরণ হচ্ছে। সেখানকার একটি বাড়ি পুরোটাই লাভার নিচে ঢাকা পড়েছে। আরেকটিও তলিয়ে যাওয়ার উপক্রম।

হাওয়াইতে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে ৬ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্প

তিনি বলেন, আগ্নেয়িগিরিটি খুবই অস্বাভাবিক আচরণ করছে, যা কিলাউয়া আগ্নেয়গিরির ভয়াবহতাকে ছাড়িয়ে যায়।

সিএনএন জানায়, লিলানি স্টেট ও লানিপুনা গার্ডেন্সের শত শত বাসিন্দাকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এলাকাটিতে ১ হাজার সাত শ মানুষের বসবাস।

হাওয়াই কাউন্টির মেয়র হারি কিম জানিয়েছেন, সরকার ওই এলাকার বাসিন্দাদের পাশে আছে। যারা বাড়ি ছাড়ছে বা যারা তাদের বাড়িতে ফিরে যেতে চাইছে সবাইকেই সরকারের পক্ষ থেকে সাহায্য করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, আমারা তাদের জন্য কাজ করছি। তাদের যাতায়াতের ক্ষেত্রে যতটা সাহযোগীতা করা যায় তা আমরা করছি। যে সব বাসিন্দারা তাদের নিজ বাড়ি সম্পর্কে জানতে চাচ্ছে তাদেরকে সাহায্য করা হচ্ছে। তাদের ঘরবাড়ি সম্পর্কে জানতে প্রতিবেশীদের কাছে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।

স্টিফেন ক্লাপার নামে একজন স্থানীয় বাসিন্দা সিএনএনকে জানান,  আক্রান্ত এলাকা ছাড়া তাদের জন্য জরুরি ছিল। অগ্ন্যুৎপাতের সময় তার ৮৮ বছর বয়সী মায়ের শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা হচ্ছিল।

সারাবাংলা/আইএ/এমআই

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন