বিজ্ঞাপন

দীর্ঘ কর্মঘণ্টার কারণে এক বছরে সাড়ে ৭ লাখ মানুষের মৃত্যু: গবেষণা

May 17, 2021 | 8:19 pm

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

দীর্ঘ কর্মঘণ্টার কারণে এক বছরে প্রায় ৭ লাখ ৫০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয় বলে দাবি করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নতুন এক গবেষণা। দীর্ঘ সময় কাজে ব্যস্ত থাকার কারণে স্ট্রোক ও অন্যান্য হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে এ বিশাল সংখ্যক মানুষের মৃত্যু হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

গবেষণাটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইন্টারন্যাশনাল লেবার অর্গেনাইজেশনের যৌথ উদ্যোগে সম্পন্ন হয়। সোমবার (১৭ মে) গবেষণা প্রবন্ধ এনভায়রনমেন্ট ইন্টারন্যাশনাল নামক জার্নালে প্রকাশিত হয়।

ওই গবেষণা প্রবন্ধে বলা হয়, ২০১৬ সালে সারাবিশ্বে দীর্ঘ কর্মঘণ্টার কারণে সৃষ্ট রোগে সাড়ে সাত লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া ও পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের মানুষরা সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী। দীর্ঘ কর্মঘণ্টার কারণে সৃষ্ট রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃতদের ৭২ শতাংশ পুরুষ।

বিজ্ঞাপন

ওই গবেষণায় দেখা গেছে, সপ্তাহে ৫৫ কর্মঘণ্টা বা তার বেশি যারা কাজ করেন তাদের ৩৫ থেকে ৪০ কর্মঘণ্টা কাজ করা কর্মীদের চেয়ে স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি ৩৫ শতাংশ বেশি। এবং অন্যান্য হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর ঝুঁকি ১৭ শতাংশ বেশি। দীর্ঘ কর্মঘণ্টায় কাজ করার ফলে মধ্যবয়েসি ও বৃদ্ধদের মৃত্যুঝুঁকি বেশি।

গবেষণায় বলা হয়, ২০০০ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ কর্মঘণ্টা কাজ করার ফলে স্ট্রোক ও হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর হার ক্রমাগত বাড়ছে। ১৬ বছরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর হার ৪২ শতাংশ বেড়েছে। আর স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে ১৯ শতাংশ।

বিজ্ঞাপন

গবেষণাটির ব্যাপারে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ওয়েবসাইটে একটি নিবন্ধ প্রকাশিত হয়। এতে বলা হয়, করোনাভাইরাস মহামারির কারণে গত বছর ও চলতি বছরে এ অবস্থা আরও খারাপ হতে পারে। কেননা এসময় ভার্চুয়ালি স্বাভাবিকের চেয়েও বেশি কর্মঘণ্টা কাজ করতে হচ্ছে।

এ ব্যাপারে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জলবায়ু পরিবর্তন ও স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক ড. মারিয়া নেইরা বলেন, সপ্তায় ৫৫ ঘণ্টা বা তার বেশি কাজ করা মারাত্মক স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি। এখন সময় এসেছে আমরা সবাই— সরকার, প্রতিষ্ঠান ও কর্মচারীদের সচেতন হতে হবে, দীর্ঘ কর্মঘণ্টা আমাদের অকাল মৃত্যুর কারণ হতে পারে।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/আইই

বিজ্ঞাপন

Tags:

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন