বিজ্ঞাপন

রাজশাহীর ১৫ ইউপিতে নৌকা ১০, স্বতন্ত্র ৫

December 27, 2021 | 12:07 am

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট

রাজশাহী: রাজশাহী জেলার দুর্গাপুর, বাঘা ও চারঘাট উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ভোটে নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগের ১০ চেয়ারম্যান প্রার্থী জয় পেয়েছেন। বাকি পাঁচ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে জয় পেয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। এর মধ্যে চার জনই আওয়ামী লীগের মনোনয়ন না পেয়ে ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী ছিলেন। আরেকজন স্থানীয় বিএনপি নেতা।

বিজ্ঞাপন

ভোট গণনা শেষে রোববার (২৬ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত ১২টার দিকে বেসরকারিভাবে এই ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোট নেওয়া হয়। আগের তিন ধাপের মতো চতুর্থ ধাপের এই ইউপি নির্বাচনেও অনিয়ম, সহিংসতা, কেন্দ্র দখল ও সংঘর্ষের ঘটনা দেখা গেছে।

ভোটের বেসরকারি ফল বলছে, দুর্গাপর উপজেলায় ছয়টি ইউনিয়নের মধ্যে চারটিতে চেয়ারম্যান পদে জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থীরা। তারা হলেন— কিসমত গণকৈড় ইউনিয়নে আবুল কালাম আজাদ, পানানগর ইউনিয়নে আজাহার আলী খাঁ, ঝালুকা ইউনিয়নে আকতার আলী ও জয়নগর ইউনিয়নে মিজানুর রহমান।

বিজ্ঞাপন

এই উপজেলার বাকি দুই ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে জয় পেয়েছেন দুই স্বতন্ত্র প্রার্থী— নওপাড়া ইউনিয়নে শফিকুল ইসলাম ও  দেলুয়াবাড়ী ইউনিয়নে রিয়াজুল ইসলাম রেন্টু। তারা দু’জনেই আওয়ামী লীগের মনোনয়ন না পেয়ে ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হিসেবে ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন।

এদিকে, বাঘা উপজেলার তিনটি ইউনিয়নের মধ্যে দু’টিতে আওয়ামী লীগ এবং একটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে জয় পেয়েছেন। এর মধ্যে আড়ানী ইউনিয়নে রফিকুল ইসলাম ও চকরাজাপুর ইউনিয়নে ডি এম মনোয়ার বাবুল দেওয়ান আওয়ামী লীগের প্রার্থী। আর বাউসা ইউনিয়নে নির্বাচিত স্বতন্ত্র প্রার্থী নুর মোহাম্মদ তুফান আওয়ামী লীগের ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

চারঘাট উপজেলাতেও ছয়টি ইউনিয়নের মধ্যে চারটিতে চেয়ারম্যান পদে জয় পেয়েছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী। তারা হলেন— চারঘাট সদর ইউনিয়নে ফজলুল হক, ভায়ালক্ষীপুর ইউনিয়নে আবদুল মজিদ প্রামাণিক, সরদহ ইউনিয়নে হাসানুজ্জামান মধু ও শলুয়া ইউনিয়নে আবুল কালাম আজাদ।

এই উপজেলার বাকি দুই ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে জয় পাওয়া স্বতন্ত্র দুই প্রার্থীর মধ্যে আরিফুল ইসলাম মাখন ছিলেন আওয়ামী লীগের ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী। আর নিমপাড়া ইউনিয়নে নির্বাচিত স্বতন্ত্র প্রার্থী মিজানুর রহমান স্থানীয় বিএনপি নেতা। বিএনপি আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনে অংশ না নেওয়ায় তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেছিলেন।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন